কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০১:১২ PM

কৃষি মন্ত্রীর সাথে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২১-০৪-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ২১-০৪-২০২৭

কৃষি মন্ত্রীর সাথে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তারিখ: ২১ এপ্রিল ২০২৬

আজ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সাথে সচিবালয়স্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. হুমনাথ বান্দারি (Dr. Humnath Bhandari) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও ধান বিষয়ক গবেষণাসহ বিবিধ বিষয়ে আলেচনা হয়।

কৃষি মন্ত্রী ইরির প্রতিনিধিকে স্বাগত জানান।

মন্ত্রী বলেন, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। দেশের প্রায় সকল মানুষের প্রধান খাদ্য হওয়ায় ধানের চাহিদা বছরব্যাপী থাকে। দেশের আবহাওয়া ও জমির ধরণ ধান চাষের জন্য উপযোগী। ইরির সহযোগিতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল, খরা, বন্যা, শীত সহিষ্ণু ও বিভিন্ন পুষ্টিমান সম্পন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করছে। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির জোগানে ভূমিকা রাখছে।
মন্ত্রী অধিক পুষ্টিমান, কম জিআই(গ্লাইসেমিক ইনডেক্স) সম্পন্ন ধান চাষ নিয়ে বাংলাদেশের সাথে কাজ করার জন্য ইরিকে আহবান জানান।
উচ্চ ফলনশীল, বন্যা, খরা সহিষ্ণু ও স্বল্পসময়ে চাষ উপযোগী ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য ইরির সাথে যৌথভাবে গবেষণা করার জন্য বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান এবং এ বিষয়ে কাজ করতে ইরিকে আহবান জানান।

ইরির প্রতিনিধি বলেন, তাঁর সংস্থা বাংলাদেশের ধান উৎপাদন, গবেষণা ও নতুন জাত উদ্ভাবনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য, জলাবায়ু অভিযোজন, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ইরি কাজ করতে আগ্রহী বলে প্রতিনিধি জানান। ইরি উদ্ভাবিত অধিক পুষ্টিমান ও কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পন্ন ধানের প্রকরণ বাংলাদেশেও চাষে সহযোগিতার কথা বলেন। কৃষি মন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

এসময় ইরি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত/-
মোহাম্মদ জাকির হোসেন
সিনিয়র তথ্য অফিসার
কৃষি মন্ত্রণালয়
০১৯১২-৭২১২৩৬

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন