কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪ এ ১২:০২ PM

সম্পাদকীয়

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: বৈশাখ সাল: ১৪৩০ প্রকাশের তারিখ: ০২-০৫-২০২৪

সম্পাদকীয়

জ্যৈষ্ঠ মাস। আমাদের এই ষড়ঋতুর দেশে ঋতু চক্রের পরিক্রমায় ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে আপন গতিতে। সারা বিশ্বব্যাপী জলবায়ুতে অনেক পরিবর্তন আসলেও প্রকৃতির নিয়মে চলে জ্যৈষ্ঠ মাস। প্রচ- খরতাপে এ মাসে প্রকৃতিতে থাকে নাভিশ্বাস অবস্থা। হরেক রকম ফসলের পাশাপাশি এসময় মজার মজার ফলের প্রাপ্তিযোগের কারণে কৃষিজীবীসহ আপামর জনসাধারণের মনপ্রাণ আনন্দরসে ভরপুর থাকে। আর কৃষিজীবী ভাইবোনেরাই  খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার  হাতিয়ার। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কৃষকের পাশে থেকে কৃষকের সাথে থেকে কৃষিকে টেকসই, আধুনিকরণ ও স্মার্ট কৃষি গড়ার।   
কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং জনগণের জীবীকা নির্বাহের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোঠিীর কর্মসংস্থানে, শিল্পের কাঁচামাল জোগানে ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ । কৃষিতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি ৪৬.৯৬ শতাংশ। খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ২২টি কৃষিপণ্য উৎপাদনে বিশে^ শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে। পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি ও পেঁয়াজ উৎপাদনে তৃতীয়, চা উৎপাদনে চতুর্থ, আলু ও আম উৎপাদনে সপ্তম। এছাড়া কৃষি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বর্তমানে ৭০টিরও বেশি ফল ও সবজি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে কৃষি পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।  বাংলাদেশ  এখন  এক অভূতপূর্ব উন্নয়নের বিস্ময়। 
বাংলাদেশ সোনালী আশেঁর দেশ। কৃষিপণ্য হিসেবে পাট বিশে^ ২৮২ ধরণের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে থাকে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে পাট রফতানিতে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। পাটপণ্য বহুমুখী খাতকে রপ্তানিমুখীকরণে পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার বা বর্ষপণ্য এবং পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সম্পর্কে ... তথ্যসমৃদ্ধ নিবন্ধটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবারের কৃষিকথায়।
এ ছাড়াও কৃষি বিশেষজ্ঞগণের সময়োপযোগী প্রবন্ধ, আগামীর কৃষি ভাবনা, সফল কৃষকে গল্প, ও নিয়মিত বিভাগ দিয়ে সাজানো হয়েছে এ সংখ্যা। কৃষিকথায় এসব মানসম্পন্ন ও তথ্যপ্রযুক্তি লেখা দিয়ে যারা সমৃদ্ধ করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আশা রাখছি বাণিজ্যিক কৃষি, জৈব প্রযুক্তি, ন্যনোটেকলোজিসহ গ্রামীণ অকৃষিজ খাতের উন্নয়ন ও বিশ্বায়ন মোকাবিলায় উপযুক্ত কর্মকৌশল গ্রহণে সহায়ক হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নলালাতি সোনার বাংলা বিনির্মান সম্ভব হবে।  

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন