কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ এ ০৬:৩৩ PM

সম্পাদকীয়

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: ফাল্গুন সাল: ১৪৩১ প্রকাশের তারিখ: ১৩-০২-২০২৫

সম্পাদকীয়

ফাল্গুন মাস। রবি মৌসুমের শেষান্তে। শীতে ম্রিয়মাণ প্রকৃতি বসন্তের জাদুময়ী স্পর্শে হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। এ সময় আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু প্রভৃতি গাছ মুকুলে ভরে যায় এবং মুকুলের গন্ধে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত থাকে। প্রকৃতির সাথে আমাদের জনজীবনেও কাজের আগমন ঘটে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বীর কৃষিজীবী ভাইবোনেরা পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কৃষিভুবনে কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত সবার জন্য ফাল্গুনের শুভেচ্ছা। সবার জীবন ফুলের পাপড়ির মতো  শোভা ও  সৌন্দর্যে ভরে উঠুক।  
বাংলাদেশের মসলা খুবই জনপ্রিয়। খাবার ও মসলা একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। খাবারে স্বাদ, গন্ধ ও সজ্জায় ভিন্নতা আনতে বাঙালিরা হরেক রকমের মসলা ব্যবহার করে আসছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে সার্বিকভাবে শরীর সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত তেলজাতীয় ও মসলাদার খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে গবেষণা থেকে জানা যায় মসলায় কিছু ঔষধি গুণাবলি রয়েছে। দেশে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ, কালোজিরা, ধনিয়া প্রভৃতি প্রধান মসলা হিসেবে চাষাবাদ করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মসলার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫২.২৯৪ লক্ষ  মেট্রিক টন। অর্জিত হয়েছে ৫৩.৪৩১ লক্ষ মেট্রিক টন, যা চাহিদা অনুযায়ী অর্জন সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মসলা (আস্ত, গুঁড়া, মিক্সিং) রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিজ্ঞানসম্মত সংরক্ষণাগার না থাকায় পেঁয়াজসহ বিভিন্ন মসলা আমদানি করতে হয়। কৃষি বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষণা করে ফসলের আধুনিক জাত উদ্ভাবন করে যাচ্ছে। মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টটিউট, বগুড়া কর্তৃক বারি আলুবোখারা-১ নামক একটি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। আলুবোখারা বাংলাদেশের স্বল্প ব্যবহৃত একটি উচ্চমূল্যের ফলজাতীয় মসলা ফসল। ফল প্রধানত মসলা হিসেবে বা চাটনিতে ব্যবহার করা হয়। এ সম্পর্কে ‘বারি আলুবোখারা-১ এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি’ তথ্যসমৃদ্ধ নিবন্ধটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবারের কৃষিকথায়। 
এ ছাড়াও কৃষি বিশেষজ্ঞদের সময়োপযোগী প্রবন্ধ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ, আগামীর কৃষি ভাবনা, সফল কৃষকের গল্প ও নিয়মিত বিভাগ দিয়ে সাজানো হয়েছে এ সংখ্যা। কৃষিকথায় এসব মানসম্পন্ন ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেখা দিয়ে যারা সমৃদ্ধ করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা রইল। আশা করি কৃষিকথার এবারের সংখ্যা কৃষির উন্নয়নে কাজে লাগবে। 

 

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন