কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৫:২৭ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: আশ্বিন সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৭-০৯-২০২৫
সম্পাদকীয়
কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জনগণের জীবনযাত্রার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটি দেশের বৃহত্তম কর্মসংস্থান খাত এবং জিডিপিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যাচ্ছে। এ দেশের আবহাওয়া ও উর্বর জমি সারা বছর ফসল উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী। ক্রমহ্রাসমান কৃষি জমি ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশের কৃষি পণ্যের উৎপাদন বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতিতে এসেছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। প্রতিকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি রয়েছে পোকামাকড়, রোগবালাই ও ইঁদুরের উপদ্রব। বাংলাদেশে ইঁদুর একটি মারাত্মক কৃষি প্রতিবন্ধকতা। ইঁদুর একটি দ্রুত বংশবিস্তারকারী, চতুর, সর্বভুক, নিশাচর ও নীরব ধ্বংসকারী প্রাণী। প্রতিনিয়ত ইঁদুর থেকে রক্ষা পেতে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রতিরোধ জারি রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে মানুষ। তবে উপভোগ্য বিষয় হচ্ছে ইঁদুর ও মানুষের অবস্থান এখনো অনেক কাছাকাছি। তাইতো ইঁদুর সমস্যা সামাজিক সমস্যা। কৃষিকথায় এ সমস্যা সমাধানে এবারের সংখ্যায় ইকোসিস্টেম রক্ষা করে ইঁদুর দমনের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্য উপাত্তসমৃদ্ধ প্রবন্ধ সংযোজন করা হয়েছে।
এ ছাড়াও সময়োপযোগী নিবন্ধ, কবিতা ও নিয়মিত বিভাগের মাধ্যমে এবারের কৃষিকথা সাজানো হয়েছে। যারা এসব লেখা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আশা করি কৃষিকথা সর্বস্তরের জনগণকে ইঁদুর দমন কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। সে সাথে টেকসই কৃষি উৎপাদন কৌশলের সফল অভিযোজনের ফলে দেশের অর্থনীতিতে সফল ধারা অব্যাহত রাখবে।