মাষকলাই ,খরিফ-২ মৌসুমে চাষাবাদ পদ্ধতি
ড. মোঃ আব্দুল মালেক
আমিষের উৎস হিসেবে আমরা উদ্ভিজ আমিষ বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের ডাল খেয়ে থাকি। প্রকারভেদে ডালের মধ্যে ২২-২৮% আমিষ থাকে। জনপ্রতি প্রতিদিন ৪৫ গ্রাম ডালের চাহিদা থাকলেও আমরা গ্রহণ করি মাত্র ১৭-১৮ গ্রাম। প্রতি বছর আমাদের প্রায় ২৬ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন (কৃষি ডাইরি ২০২৪)। উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল আধুনিক জাত ও উন্নত কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হওয়ায় বিগত কয়েক বছরে ডাল ফসলের আওতায় উৎপাদন এলাকাসহ ফলন ও মোট উৎপাদন অনেক বেড়েছে। প্রতি হেক্টরে ডালের গড় ফলন ২০১২ সালের তুলনায় (৮০০ কেজি/হেক্টর) ২০২৪ সালে অনেক বেড়েছে (১২৭১ কেজি/হেক্টর) (কৃষি ডাইরি ২০২৪)। ডালের উৎপাদন প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেলেও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে তা অপ্রতুল রয়ে গেছে।
দেশে প্রায় ১২ রকম ডাল বছরের তিন মৌসুমেই চাষ হয়ে থাকে, যার ৯০ শতাংশ জুড়ে আছে খেসারি, মসুর, ছোলা, মুগ, মাষকলাই ও ফেলন। খেসারি, মসুর ও ছোলা রবি মৌসুমে এবং এলাকাভেদে মুগ, মাষকলাই ও ফেলন যথাক্রমে বিলম্ব-রবি, খরিফ-১ এবং খরিফ-২ মৌসুমে চাষ করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশে ডাল ফসলের মধ্যে মাষকলাইয়ের স্থান চতুর্থ এবং মোট উৎপাদিত ডালের ৯-১১% আসে মাষকলাই থেকে। দেশে মাষকলাইয়ের মোট আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ৭৪.৮ হাজার হেক্টর এবং উৎপাদন প্রায় ৮৬.৮ হাজার মেট্রিক টন। দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাষকলাই সবচেয়ে বেশি চাষ হয়ে থাকে। দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে মাষকলাই বেশ জনপ্রিয় একটি ডাল।
মাষকলাইয়ের পুষ্টিগুণ : নানাবিধ পুষ্টিগুণেসমৃদ্ধ মাষকলাই ডাল সহজে হজম হয় এবং এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, খনিজ পদার্থ যেমন- ক্যালসিয়াম ও লৌহ, আঁশ, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-২ ও শর্করা।
উন্নত জাতগুলো : বারি মাষ-১, বারি মাষ-২, বারি মাষ-৩, বারি মাষ-৪, বিনামাষ-১, বিনামাষ-২ ও বিনা মাষ-৩।
জমি নির্বাচন : সকল প্রকার জমিতেই মাষকলাই চাষ করা গেলেও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে এরকম জমি নির্বাচন করা উত্তম।
বপনের সময় : তিন মৌসুম তথা বিলম্ব-রবি, খরিফ-১ এবং খরিফ-২ মৌসুমে চাষ করা গেলেও সাধারণত খরিফ-২ মৌসুমেই (১ ভাদ্র থেকে ১৫ ভাদ্র; আগস্টের ১৫-৩১) মাষকলাইয়ের চাষ করা হয়ে থাকে। তবে মধ্য-সেপ্টেম্বর পর্যন্তও বীজ বপন করা যায়। তবে বন্যাপ্রবণ নিচু এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেলে নরম মাটিতে বিনাচাষে ছিটিয়েও বীজ বপন করা যায়।
চাষাধীন এলাকা বাড়ানোর কৌশল : দেশের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে আউশ ধান/পাট-পতিত-রবি ফসল শস্যবিন্যাসে জমি প্রায় ৮০-৯০ দিন পতিত থাকে যেখানে শস্যবিন্যাসটিতে মাষকলাই অন্তর্ভুক্তির যথেষ্ট সুযোগ আছে। তাছাড়া মাষকলাই অধিক অভিযোজনক্ষম ফসল হওয়ায় বিভিন্ন রাস্তা ও বাঁধের ধারে, পুকুর পাড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের ফল বাগানে আন্তঃফসল হিসেবেও এর চাষ করা যায়।
চাষ পদ্ধতি : মাটির প্রকারভেদে ৩-৪টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে এবং মই দিয়ে মাটি সমান করতে হবে। সারিতে বপনের ক্ষেত্রে সারি হতে সারির দূরত্ব ১০-১২ ইঞ্চি রাখতে হবে।
বীজ হার : প্রতি হেক্টরে ৩০-৩৫ কেজি বীজ প্রয়োজন, তবে সারিতে বপনের ক্ষেত্রে বীজের পরিমাণ কিছু কম দিতে হবে।
সার ব্যবস্থাপনা : বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চলভেদে সারের মাত্রা কম-বেশি হতে পারে। তবে অনুর্বর জমিতে মাষকলাই চাষে সাধারণভাবে অনুমোদিত সারের মাত্রা হলো-
প্রতি হেক্টরে ইউরিয়া ৪০-৪৫ কেজি (একরে ১৬-১৮ কেজি), টিএসপি ৪০-৯০ কেজি (একরে ৩২-৩৬ কেজি), এমওপি ৪০-৪৫ কেজি (একরে ১৬-১৮ কেজি), জিপসাম ৫০-৫৫ কেজি (একরে ২০-২২ কেজি), বোরন (প্রয়োজনবোধে) ৭-১০ কেজি, জীবাণুসার (ইউরিয়ার পরিবর্তে) ৫০ গ্রাম প্রতি কেজি বীজে ৫০০ গ্রাম।
জমিতে পচা গোবর অথবা কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করলে রাসায়নিক সার কম লাগবে। রাসায়নিক সার শেষ চাষের আগে জমিতে ছিটিয়ে দিয়ে পরে মই দিয়ে মাটি সমান করতে হবে।
জীবাণুসার প্রয়োগ ও ব্যবহার পদ্ধতি
শিমজাতীয় ফসল হওয়ায় মাষকলাই গাছ রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে গাছের শিকড়ে জমা করতে পারে। বপনের পূর্বে বীজে জীবাণুসার মিশিয়ে বপন করলে গাছের শিকড়ে নডিউল বা গুটি সহজে সৃষ্টি হয়। শিকড়ে সৃষ্ট গুটি থেকে গাছ নাইট্রোজেন পায়। উল্লেখ্য, জীবাণুসার প্রয়োগ করা হলে ইউরিয়া সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না।
একটি পাত্রে এক কেজি পরিমাণ বীজ নিয়ে পরিষ্কার পানিতে হাত ভিজিয়ে ভেজা হাতে মাষকলাই বীজ নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে সকল বীজের উপরিভাগ ভিজে যায়। এক কেজি মাষকলাই বীজে ২০-৩০ গ্রাম চিটাগুড় বা ভাতের ঠা-া মাড় ভালোভাবে মিশানোর পর ৫০ গ্রাম জীবাণুসার মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে চিটাগুড় মিশ্রিত আঠালো বীজের গায়ে জীবাণুসার সমভাবে লেগে যায়। জীবাণুসার মিশানোর পর বীজ তাড়াতাড়ি বপন করতে হবে, কারণ জীবাণুসার পাউডার মেশানোর পর বীজ বেশিক্ষণ ফেলে রাখলে জীবাণুসারের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
আগাছা দমন : জমিতে আগাছা দেখা দিলে বপনের ১৫-২০ দিন পর পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। তাছাড়া গাছ খুব ঘন থাকলে পাতলা করে দিতে হবে।
পানি ব্যবস্থাপনা : খরিফ-২ মৌসুমে মাষকলাই চাষে সেচ প্রয়োগের দরকার নেই তবে ভারী বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গেলে তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
* ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে থায়ামিথক্সাম+ক্লোথায়ারানিলিপ্রল জাতীয় কীটনাশক (যেমন- ভলিউম ফ্লেক্সি ৫ মিলিলিটার অথবা ১মুখ) অথবা সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক যেমন- ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতক জমিতে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২-৩ বার।
* কা-ের মাছি পোকা দমনে কার্বোসালফান জাতীয় কীটনাশক (যেমন- মার্শাল বা সানসালফান ২০ মিলিলিটার/৪ মুখ) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে চারা গজানোর ৩,৭, ১৪, ২১ দিনের মধ্যে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে। বিশেষ করে প্রথম ৩টি স্প্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ।
* বিছাপোকা দমনে ডিম থেকে সদ্য বের হওয়া কীড়াসহ পাতাটি সংগ্রহ করে পোকা মেরে ফেলতে হবে। কীড়া বড় হয়ে সারা জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রমণ বেশি হলে এমামেক্টীন বেনজোয়েট জাতীয় কীটনাশক (যেমন- প্রোক্লেইম ১০ গ্রাম) অথবা সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন- রিপকর্ড ১০ তরল অথবা সিমবুশ ১০ তরল ২০ মিলিলিটার/৪ মুখ) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করতে হবে
* জাবপোকা সাধারণত দলবদ্ধভাবে পাতা, ডগা, ফুল ও ফল থেকে রস চুষে খায়। এদের আক্রমণে গাছ খর্বাকৃতি হয়, ফুল ও ফল ধারণ বাধাগ্রস্ত হয়, বীজের দানা অপুষ্ট ও আকারে ছোট হয়। জাবপোকার আক্রমণ দেখা গেলে ডাইমেথয়েট গ্রুপের (যেমন- টাফগর-৪০ ইসি) কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করে সহজেই জাবপোকা দমন করা যায়।
রোগ ব্যবস্থাপনা
া পাউডারী মিলডিউ মাষকলাইয়ের একটি প্রধান রোগ। বাংলাদেশ ছাড়া ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশেও মাষকলাইতে এ রোগ আক্রমণ করে থাকে। বাংলাদেশে এ রোগটি খরিফ-২ মৌসুমে বেশি আক্রমণ করে। পাউডারি মিলডিউ দমনে টেবুকোনাজল+ ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিনজাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- ৫ গ্রাম নাটিভো) অথবা প্রোপিকোনাজলজাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- টিল্ট ৫ মিলি/১ মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
া সারকোস্পোরা দাগ মাষকলাই পাতার একটি অতি ক্ষতিকর রোগ। আবহাওয়ার তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে এ রোগের প্রকোপ কম-বেশি হয়ে থাকে। রোগের অনুকূল আবহাওয়ায় পাতার দাগের কারণে ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি হয়ে থাকে। পাতার দাগ রোগ এবং গোড়াপচা রোগ দমনে কার্বেন্ডাজিমজাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- গোল্ডাজিম অথবা এইমকোজিম ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
া হলুদ মোজাইক রোগ মাষকলাইয়ের সবচেয়ে মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় সব ক’টি দেশেই মাষকলাইয়ের জমিতে এ রোগের আক্রমণ লক্ষ্য করা যায়। চারা অবস্থা থেকে শুরু করে পূর্ণ-বয়স্ক গাছ পর্যন্ত ফসলের যেকোন অবস্থায়ই এ রোগের আক্রমণ হতে পারে। তবে আক্রমণ যত কম বয়সে হয় ক্ষতির পরিমাণ তত বেশি হয়। হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ দমনে জমিতে সাদা মাছি, জাবপোকা দেখা গেলে (বাহক পোকা) ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক (যেমন- এডমায়ার অথবা টিডো ১০ মিলি. ২ মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে। সকালবেলা গাছে ছাই ছিটিয়ে দিলে এই পোকা দমন করা যায়।
সতর্কতা : বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ে এবং নির্দেশাবলি মেনে চলতে হবে। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোশাক পরিধান করতে হবে। ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখতে হবে।
ফসল সংগ্রহ ও বীজ সংরক্ষণ
পরিপক্ব অবস্থায় মাষকলাই গাছ শুঁটিসহ মাটির উপর হতে কেটে সংগ্রহ করতে হবে। শুঁটিসহ গাছ রোদে ৩-৪ দিন ভালোভাবে শুকিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বীজ আলাদা করতে হবে। পরবর্তীতে ভালো করে শুকিয়ে ঠা-া করে বীজ গুদামজাত করতে হবে।
পরবর্তী মৌসুমে ব্যবহারের জন্য বীজ সংরক্ষণ করতে হলে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে :
া মাড়াই করার পর বীজ বিশেষ যত্নসহকারে শুকাতে হবে। যদি রোদের উত্তাপ খুব প্রখর হয় তবে বীজ একটানা ৩-৪ ঘণ্টার বেশি শুকানো ঠিক নয়। কারণ কড়া রোদে অনেকক্ষণ ধরে বীজ শুকালে অংকুরোদগম ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অল্প সময় করে অর্থাৎ ৩-৪ ঘণ্টা করে কয়েক দিন শুকাতে হবে। বীজ সরাসরি সিমেন্টের তৈরি পাকা খোলায় না শুকিয়ে ত্রিপল বা চাটাইয়ের ওপর শুকাতে হবে। বীজ এমনভাবে শুকাতে হবে যাতে বীজের আর্দ্রতা ৯% এর বেশি না থাকে। শুকানো বীজ দাঁত দিয়ে কামড় দিলে ‘কট’ শব্দ করে বীজ ভেঙে গেলে বুঝতে হবে যে বীজ ভালোভাবে শুকিয়েছে।
া শুকানোর পর বীজ ভালোভাবে ঝেড়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং রোগাক্রান্ত ও নষ্ট বীজ বেছে ফেলে দিতে হবে।
া বীজ সংরক্ষণের পূর্বে অংকুরোদগম ক্ষমতা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
া বীজ রাখার জন্য বায়োরোধী মোটা পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিক বা টিনের ড্রাম, আলকাতরা মাখা মাটির মটকা বা কলসী, বিস্কুটের টিন ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মোটা পলিথিনের ব্যাগে বীজ রেখে মুখ শক্ত করে বেঁধে নিয়ে তা আবার একটি প্লাস্টিক বা চটের বস্তায় ভরে রাখলে ভালো হয়। তবে যে পাত্রই হোক প্রত্যেক ক্ষেত্রেই মুখ ভালোভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে যেন কোনোভাবেই ভেতরে বাতাস ঢুকতে না পারে। উল্লেখ্য, বীজ শুকানোর পর গরম অবস্থায় সংরক্ষণ না করে ঠা-া হলে সংরক্ষণ করতে হবে।
লেখক : সাবেক পরিচালক (গবেষণা), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা), ময়মনসিংহ-২২০২, মোবাইল: ০১৭১২-১০৬৬২০;