কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২ এ ০৯:৪৫ PM

প্রশ্নোত্তর

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: শ্রাবণ সাল: ১৪২৯ প্রকাশের তারিখ: ২৫-০৭-২০২২

প্রশ্নোত্তর
কৃষিবিদ মোঃ আবু জাফর আল মুনছুর
নিরাপদ ফসল উৎপাদনের জন্য আপনার ফসলের ক্ষতিকারক পোকা ও রোগ দমনে সমন্বিত বালাইব্যবস্থাপনা অনুসরণ করুন।
মো: সৌরভ, উপজেলা : ডুমুরিয়া, জেলা : খুলনা।
প্রশ্ন : চলতি আমন মৌসুমে কোন জাতের ধান চাষ করতে পারি?
উত্তর : চলতি আমন মৌসুমে আমরা ব্রি ধান৮৭, ব্রি ধান৭৫, ব্রি ধান৭৬, ব্রি ধান৬২, ব্রি ধান৫১ ও ব্রি ধান৫২ জাতের ধান চাষ করতে পারি। জলমগ্নতা সহনশীল জাত ব্রি ধান৫১ ও ব্রি ধান৫২। স্বল্পজীবনকাল সম্পন্ন জাত ব্রি ধান৬২ ও ব্রি ধান৭৫। অলবণাক্ত জোয়ারভাটা অঞ্চলে চাষযোগ্য জাত ব্রি ধান৭৬, ব্রি ধান৭৭। এ ছাড়া উচ্চফলনশীল জাত হিসেবে ব্রি ধান-৮৭ চাষ করতে পারি।
মো: ইমরান, উপজেলা : চৌদ্দগ্রাম, জেলা : কুমিল্লা।
প্রশ্ন : পাটের কা-ে কালচে দাগ পড়েছে, এখন আমরা কী করতে পারি?
উত্তর : আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে নষ্ট করতে হবে। সুষম রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হবে। ২ গ্রাম/কেজি হারে ব্যাভিস্টিন দিয়ে বীজ শোধন করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে ব্যাভিস্টিন ১ গ্রাম, একরোবেস্ট ২ গ্রাম, এপ্রিকোনাজল-১ মিলি প্রতি মিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
মো: আলআমিন, উপজেলা : বিরল, জেলা : দিনাজপুর।
প্রশ্ন : আমের বোঁটার কাছ থেকে পচন শুরু হয়েছে, করণীয় কী?
উত্তর : আম পারার সময় আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আম সংগ্রহের পর ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৫ মিনিট পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে। গাছে আক্রমণ হলে এপিকোনাজল বা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ওষুধ ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
মো: ফিরোজ শেখ, উপজেলা : গলাচিপা, জেলা : পটুয়াখালী।
প্রশ্ন : আমন ধানের চারা রোপণের জন্য চারার বয়স কত হতে হবে?
উত্তর : আমন ধানের চারা রোপণের জন্য চারার বয়স ২০ থেকে ২৫ দিন হতে হবে।
মো: আকরাম, উপজেলা : পাকুন্দিয়া, জেলা : কিশোরগঞ্জ।
প্রশ্ন : শসার পাতায় সাদা পাউডারের মতো দেখা যায়, করণীয় কী?
উত্তর : রোগ প্রতিরোধ সম্পন্ন জাত ব্যবহার করতে হবে। পরিত্যক্ত পাতা সংগ্রহ করে নষ্ট করে পুড়ে ফেলতে হবে। আক্রান্ত গাছে সালফার (থিওভিট)-২ গ্রাম/মিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
মো: মাহাবুব, উপজেলা : রংপুর সদর, জেলা : রংপুর।
প্রশ্ন : বেগুনের গোড়া পচা রোগ শুরু হয়েছে, করণীয় কী?
উত্তর : রোগাক্রান্ত গাছের গোড়ায় ছাই মিশ্রিত পটাশ সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। রোগাক্রান্ত হওয়ার আগে এপিকোনাজল গ্রুপের ওষুধ গাছের গোড়ায় স্প্রে করলে আক্রমণ কম হয়। এ ছাড়া গাছের গোড়ায় বর্দোপেস্ট লাগানো যেতে পারে।
মো: এনামুল, উপজেলা : সাদুল্লাপুর, জেলা : গাইবান্ধা।
প্রশ্ন : মিষ্টি কুমড়া গাছের পাতা খেয়ে যাচ্ছে, করণীয় কী?
উত্তর : পাতার উপর ছাই ছিটিয়ে দিলে সাময়িকভাবে দমন করা যায়। চারা বা মাদার চারদিকে ২-৫ গ্রাম দানাদার কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে সাইপারসেথ্রিন-১ মিলি, মিপসিন, সপসিন-২ গ্রাম, সেভিন-২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা প্রয়োজন।
মোছা: তানজিমা, উপজেলা : মান্দা, জেলা : নওগাঁ।
প্রশ্ন : বরবটি গাছের পাতা খেয়ে যাচ্ছে, করণীয় কী?
উত্তর : আক্রমণ বেশি হলে সাইপারসেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
মো: ছামাউল কবীর, উপজেলা : গোদাগাড়ি, জেলা : রাজশাহী।
প্রশ্ন : বেগুনের কচি ডগা ঢলে পড়ে শুকিয়ে যাচ্ছে, করণীয় কী?
উত্তর : বেগুনের জমিতে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। সুষম সার ব্যবহার করা বিশেষ করে পটাশ সার ব্যবহারে গাছের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। বালাইনাশক হিসেবে প্রতি লিটার পানিতে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের ১ মিলি হারে ওষুধ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
মো: জুয়েল, উপজেলা : কুমারখালী, জেলা : কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন : ধানের গাছের গোড়ায় প্রচুর পরিমাণে ছোট ছোট পোকা দেখা যাচ্ছে, করণীয় কী?
উত্তর : প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জাত ব্যবহার করতে হবে। অতিমাত্রায় ইউরিয়া ব্যবহার পরিহার করা উচিত। আক্রমণ প্রতিরোধে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করা, কার্বোসালফান অথবা ফেনিট্রথিয়ন গ্রুপের যে কোন একটি বালাইনাশক শুধুমাত্র আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বি. দ্র. : কৃষিবিষয়ক যে কোন সমস্যা সমাধান পেতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের কৃষি কল সেন্টার ১৬১২৩ নম্বরে যেকোন মোবাইল অপারেটর থেকে ফোন করুন। অথবা প্রশ্ন লিখে ডাকযোগে রড়ঢ়ঢ়@ধরং.মড়া.নফ ই-মেইলে প্রেরণ করতে পারেন।

লেখক : তথ্য অফিসার (উদ্ভিদ সংরক্ষণ), কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা। মোবাইল : ০১৭১৪১০৪৮৫৩; ই-মেইল : iopp@ais.gov.bd

 

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন