কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০২:৩৩ PM

পুষ্টিগুণ-সম্পন্ন ও লাভজনক ফসল করলা

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: ফাল্গুন সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৫-০২-২০২৬

পুষ্টিগুণ-সম্পন্ন ও লাভজনক ফসল করলা
কৃষিবিদ ফারহানা ইয়াসমিন
করলা কুমড়া পরিবারভূক্ত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সবজি। একদিকে যেমন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত সবজি, অন্যদিকে এটি একটি উচ্চমূল্যের বাণিজ্যিক ফসল। স্বাদে তিক্ত হলেও বাংলাদেশের সকলের নিকট এটি প্রিয় সবজি হিসেবে বিবেচিত। করলার চাহিদা সারাবছরই থাকে, তাই অল্প পরিশ্রমে ভালো পরিচর্যা করলে চাষি সহজেই পেতে পারেন দারুণ লাভ ও আর্থিক স্বচ্ছলতা, করলার অনেক ঔষধি গুণ আছে। এর রস বহুমূত্র, চর্মরোগ, বাত ও হাঁপানী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য করলায় শতকরা ৮৩-৯২ ভাগ পানি, ৪.০-১০.৫ ভাগ শর্করা, ১.৫-২.০ ভাগ আমিষ, ০.২-১.০ ভাগ তেল এবং ০.৮-১.৭ ভাগ আঁশ আছে। এতে আছে ভিটামিন সি, বি-কমপে¬ক্স, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ফলিক অ্যাসিড। অন্যান্য কুমড়াজাতীয় সবজির চাইতে করলায় অধিক পরিমাণে খনিজ ও খাদ্যপ্রাণ রয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ (পলিপেপটাইড-পি), পেটের পীড়া নিরাময়, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
করলার আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি
বছরের যেকোনো সময় করলার চাষ সম্ভব হলেও এদেশে প্রধানত খরিফ মৌসুমেই করলার চাষ হয়ে থাকে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে
মাসের মধ্যে যেকোনো সময় করলার বীজ বোনা যেতে পারে। কেউ কেউ জানুয়ারি মাসেও বীজ বুনে থাকেন কিন্তু এ সময় তাপমাত্রা কম থাকায় গাছ দ্রুত বাড়তে পারে না, ফলে আগাম ফসল উৎপাদনে তেমন সুবিধা হয় না। পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা করতে পারলে আশাব্যঞ্জক ফলন পাওয়া যায়। বপনের ৫০-৬০ দিন পর থেকেই গাছ ফল দিতে শুরু করে। একবার ফলন শুরু হলে গাছ টানা ২-৩ মাস ফল দেয়, তাই বাজারে দাম ভালো থাকলে আয়ও হয় দ্বিগুণ। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করলা ভালো জন্মে। পরিবেশগতভাবে এটি একটি কষ্ট সহিষ্ণু উদ্ভিদ। মোটামুটি শষ্ক আবহাওয়ায় এটি জন্মানো যায়; তবে বৃষ্টিপাত এর জন্য খুব ক্ষতিকর নয়। তবে জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে পরাগায়ন বিঘিœত হতে পারে। বারি করলা-১, বারি করলা-২, বারি করলা-৩, বারি করলা-৪, বারি হাইব্রিড করলা-২, বারি হাইব্রিড করলা-৩ জাতসমূহ চাষাবাদ করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় সহজলভ্য জাতের চাষ হচ্ছে তার মধ্যে টিয়া ও গজ করলা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সব রকম মাটিতেই করলার চাষ করা যেতে পারে, তবে জৈব সার সমৃদ্ধ দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে ভালো জন্মে, উঁচু বেড তৈরি করে লবণাক্ত এলাকায় চাষ করা যায় ।
জমি তৈরি
খরিফ মৌসুমে চাষ হয় বলে করলার জন্য এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে যেখানে পানি জমার সম্ভাবনা নেই। বসতবাড়িতে করলার চাষ করতে হলে দু’চারটি মাদায় বীজ বুনে গাছ বেয়ে উঠতে পারে এমন ব্যবস্থা করলেই হয়। তবে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য প্রথমে সম্পূর্ণ জমি ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে প্রস্তুত করে নিতে হয় যাতে শিকড় সহজেই ছড়াতে পারে । জমি বড় হলে নির্দিষ্ট দূরত্বে নালা কেটে লম্বায় কয়েক ভাগে ভাগ করে নিতে হয়। বেডের প্রশ্বস্তুতা হবে ১০০ মিটার ও দু’বেডের মাঝে ৩০ সেমি. নালা থাকবে।
বপন পদ্ধতি
করলার জন্য হেক্টরপ্রতি ৬-৭.৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। করলার জন্য ১.৫ মিটার দূরত্বে মাদা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতি মাদায় কমপক্ষে ২টি বীজ বপন করতে হবে। অথবা পলিব্যাগে (১০ ী ১৫) সেমি. ১৫-২০ দিন বয়সের চারা উৎপাদন করে নেয়া যেতে পারে। করলার বীজের খোসা কিছুটা শক্ত। তাই সহজ অঙ্কুরোদগমের জন্য শুধু পরিষ্কার পানিতে ১৫-২০ ঘণ্টা অথবা শতকরা এক ভাগ পটাশিয়াম নাইট্রেট দ্রবণে এক রাত ভিজিয়ে অতঃপর পলিব্যাগে বপন করতে হবে।
বীজতলার পরিচর্যা
নার্সারিতে চারার প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বেশি শীতে বীজ গজানোর সমস্যা। এজন্য শীতকালে চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বীজ গজানোর পূর্ব পর্যন্ত প্রতি রাতে প¬াস্টিক দিয়ে পলিব্যাগ ঢেকে রাখতে হবে এবং দিনে খোলা রাখতে হবে; চারায় প্রয়োজন অনুসারে পানি দিতে হবে তবে সাবধান থাকতে হবে যাতে চারার গায়ে পানি না পড়ে। পলিব্যাগের মাটি চটা বাঁধলে তা ভেঙ্গে দিতে হবে; করলার চারা গাছে ‘রেড পামকিন বিটল’ নামে এক ধরণের লালচে পোকার ব্যাপক আক্রমণ হয়। এটি দমনের ব্যবস্থা নিতে হবে। হাতে ধরে এ পোকা সহজে দমন করা যায়; চারার বয়স ১৬-১৭ দিন হলে তা মাঠে প্রস্তুত গর্তে লাগাতে হবে।
আগাছা ব্যবস্থাপনা
চারা লাগানো থেকে ফল সংগ্রহ পর্যন্ত সবসময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গাছের গোড়ায় আগাছা থাকলে তা খাদ্যোপাদান ও রস শোষণ করে নেয় বলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় না; সেচের পর জমিতে চটা বাঁধলে গাছের শিকড়াঞ্চলে বাতাস চলাচল ব্যাহত হয়। কাজেই প্রত্যেক সেচের পর গাছের গোড়ার মাটির চটা ভেঙে দিতে হবে।
সেচ প্রদান ও নিষ্কাশন
খরা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হবে। পানির অভাবে গাছের বৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপে এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- প্রাথমিক অবস্থায় চারার বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যাওয়া, পরবর্তীতে ফল ঝরে যাওয়া, ফলের বৃদ্ধি বন্ধ হওয়া ও ঝরে যাওয়া ইত্যাদি। জুন-জুলাই মাস থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর আর সেচের প্রয়োজন হয় না। জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য বেড ও নিকাশ নালা সর্বদা পরিষ্কার করে রাখতে হবে; করলার বীজ উৎপাদনের সময় ফল পরিপক্ব হওয়া শুরু হলে সেচ দেয়া বন্ধ করে দিতে হবে।
বিশেষ পরিচর্যা
বাউনির ব্যবস্থা করলার প্রধান পরিচর্যা। চারা ২০-২৫ সেমি. উঁচু হতে ১.০-১.৫ মিটার উঁচু মাচা তৈরি করতে হবে; কৃষক ভাইয়েরা সাধারণত উচ্ছে চাষে বাউনির ব্যবহার না করে তার বদলে মাদা বা সারির চারপাশে জমির খড় দিয়ে ঢেকে দেয়। উচ্ছের গাছ খাটো বলে এ পদ্ধতিতেও ভালো ফলন পাওয়া যায়। তবে এভাবে করলা বর্ষাকালে মাটিতে চাষ করলে ফলের একদিক বিবর্ণ হয়ে বাজারমূল্য কমে যায় ও ফলে পচন ধরে। প্রাকৃতিক পরাগায়ন কমে বলে ফলনও কমে যায়; গাছের গোড়ার দিকে ছোট ছোট ডগা (শোষক শাখা) গাছের ফলনে এবং যথাযথ শারীরিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই সেগুলো কেটে দিতে হয়। এতে গোড়া পরিষ্কার থাকে, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের উৎপাত কম হয় এবং আন্তঃকর্ষণের কাজ সহজ হয়।
ফসল সংগ্রহ
স্ত্রী ফুলের পরাগায়নের ১৫-২০ দিনের মধ্যে ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয়। ফল আহরণ একবার শুরু হলে তা দু’মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। ফল সবুজ ও চকচকে হলে সেটিই বাজারে সবচেয়ে দামে বিক্রি হয়। দেরিতে ফল সংগ্রহ করলে স্বাদ তিক্ততা হারায়, ফল শক্ত হয়ে যায় এবং বাজারমূল্য কমে যায়।
উৎপাদন ও লাভ
উচ্চফলনশীল জাত যথাযথভাবে চাষ করলে হেক্টর প্রতি ৩০-৪৫ টন (১২০-১৮০ কেজি/শতাংশ) পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। বাজারদর অনুযায়ী প্রতি বিঘায় ৩০,০০০-৫০,০০০ টাকা বা তারও বেশি লাভ হতে পারে।
পোকামাকড় ও রোগবালাই
করলার মাছি পোকা
স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামি রং ধারণ করে। ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল হলুদ হয়ে পচে ঝড়ে যায়।
দমন ব্যবস্থাপনা
আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে। প্রথম ফুল আসা মাত্র ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে হবে। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩টি হারে। পাকা মিষ্টি কুমড়া বা কুমড়াজাতীয় ফল ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ (যেমন- সপসিন ০.২৫ গ্রাম) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরি করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করতে হবে। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক রিপকর্ড ১ মিলি./লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাওয়া বা বিক্রি করা যাবে না।
পামকিন বিটল
পূর্ণাঙ্গ পোকা চারা গাছের পাতায় ফুটো করে খায়। কীড়া গাছের গোড়ায় মাটিতে বাস করে এবং গাছের শিকড়ের ক্ষতি করে বড় গাছ মেরে ফেলতে পারে।
দমন ব্যবস্থাপনা
আক্রান্ত গাছ থেকে পূর্নাঙ্গ পোকা হাত ধরে মেরে ফেলতে হবে। চারা অবস্থায় ২০-২৫ দিন চারা মশারির জাল দিকে ঢেকে রাখতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সেভিন/ কার্বারিন-৮৫ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। কীড়া দমনের জন্য প্রতি গাছের গোড়ায় ২-৫ গ্রাম বাসুডিন/ ডায়াজিনন ১০জি মিশিয়ে সেচ দিতে হবে।
করলার জাব পোকা
কচি ডগা ও পাতার রস শুষে নেয় এবং গাছের পাতা হলুদ হয়ে ক্ষতি করে। পাতা কুঁকড়ে যায়।
দমন ব্যবস্থাপনা
জৈব বালাইনাশক নিমবিসিডিন ২ মিলি./লিটার পানিতে ব্যবহার করতে হবে; ক্ষেত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে; আক্রান্ত পাতা ও ডগা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে; আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপিড (ইমিটাফ, টিডো) ০.৫ মিলি বা একতারা ০-২৫ গ্রাম বা টাফগর ২ মিলি. প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
করলার পাউডারি মিলডিউ
পাতা ও গাছের গায়ে সাদা পাউডারের আবরণ দেখা যায়। ধীরে ধীরে আক্রমণ বেশি হলে এ দাগগুলো বড় ও বাদামি হয়ে শুকিয়ে যায়। কোনো একটি লতার পাতায় আক্রমণ বেশি হলে ধীরে ধীরে সেই লতার ও পরে পুরো গাছই মরে যেতে পারে। ফল ঝরে যেতে পারে। দাগ শুকিয়ে গেলে সেখানে আলপিনের মাথার মতো কালো কালো বিন্দু দেখা যায়।
দমন ব্যবস্থা
জমির আশেপাশে কুমড়াজাতীয় অন্য যে কোনো রকমের সবজি চাষ থেকে বিরত থাকতে হবে। আগাম চাষ করে রোগের প্রকোপ কমানো যায়। জমির আশপাশের হাতিশুড় জাতীয় আগাছা দমন করতে হবে। আক্রান্ত পাতা ও গাছ সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম থিওভিট বা সালফোলাক্স / কুমুলাস অথবা টিল্ট ২৫০ ইসি ০.৫ মিলি. মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
করলার পাতার গুচ্ছ রোগ
আক্রান্ত গাছের পাতাগুলো গুচ্ছ আকারে দেখা যায়। গাছ বাড়ে না। ফুল ও ফল কমে যায়। বাহক পোকা হিসেবে জ্যাসিড পোকা দ্বারা এ রোগ ছড়ায়।
দমন ব্যবস্থাপনা
আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র তুলে নষ্ট অথবা পুড়ে ফেলতে হবে। ক্ষেতের আশেপাশের আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। ভাইরাসের মতো মাইকোপ¬াজমা রোগ বাহক পোকা দ্বারা বিস্তার লাভ করে। তাই বাহক পোকা ধ্বংস করার জন্য টিডো বা এডমায়ার ০.৫ মিলি. অথবা এসাটাফ ১ মিলি. প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
করলার ডাউনি মিলডিউ রোগ
পাতার উপরে ছোট ছোট হলুদ ও পাতার নীচে গোলাপি ছত্রাক দেখা যায়। বয়স্ক পাতা মারা যায়।
দমন ব্যবস্থা
আক্রান্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাবে না। গাছের রোগ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ১-২ গ্রাম সিকিউর বা ম্যানকোজেব ২ গ্রাম বা কপার অক্সিক্লোরাইড-৪ গ্রাম ব্যবহার করতে হবে।
করলার ভাইরাসজনিত মোজাইক রোগ
এ রোগ হলে গাছে হলুদ ও গাঢ় সবুজ ছোপ ছোপ মোজাইক করা পাতা দেখা দেয়।
দমন ব্যবস্থা
আক্রান্ত গাছ তুলে ধ্বংস করতে হবে। ভাইরাসের বাহক পোকা সাদা মাছি দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন- এডমায়ার ১ মিলি./ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
করলা চাষ বাংলাদেশের উচ্চ লাভজনক ও পুষ্টি গুণসম্পন্ন ফসল। গাঢ় সবুজ রঙ, ফল শক্ত কিন্তু কচি, বীজ শক্ত হওয়ার আগের অবস্থায় করলা সর্বোচ্চ বাজারমূল্য পায়। ডাটাসহ ফল কাটা, ফল সংগ্রহে ধারালো ছুরি ব্যবহার, লতা বা ফুল ক্ষতিগ্রস্থ না করা ইত্যাদি অনুসরণ করলে কৃষকেরা বেশি মূল্য পাবেন। সঠিক জাত নির্বাচন, সুষম সার ও সেচ, মাচা ও লতা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ-পোকা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করলে উচ্চফলন ও ন্যায্য আয় সম্ভব। প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানিতে বিনিয়োগ করলে কৃষকের আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

লেখক : অতিরিক্ত কৃষি অফিসার (উপজেলা কৃষি অফিস কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ, সংযুক্ত কল সেন্টার অফিসার, মোবাইল : ০১৭৪৮৩৯২৬৪৪,

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন