ডালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বারি অড়হর-১ একটি সম্ভাবনাময় অড়হর ডালের জাত
কৃষিবিদ জামিল হোসেন
অড়হর লিগুমিনোসি গোত্রের একটি ডালজাতীয় ফসল। এটি গুল্মজাতীয় স্বল্পস্থায়ী বহুবর্ষজীবী গাছ। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি বর্ষজীবী হিসাবে চাষ করা হয়। এর গাছ ঝোপালো, ঘন সবুজ পাতা ও ডালপালা যুক্ত। গ্রামাঞ্চলে আঞ্চলিক ভাষায় এটি আটর কালাই বা আড়ল ডাল বা তুর ডাল নামে পরিচিত। উপক্রান্তীয় এবং গ্রীষ্মম-লীয় দেশ বিশেষ করে আফ্রিকা, এশিয়া এবং আমেরিকার প্রায় ৮০টা দেশে অড়হরের চাষ হয়, যার উৎপাদন আনুমানিক ৪৮.৫৮ লক্ষ টন। এ উৎপাদনের প্রায় ৬৮% ভারতে উৎপন্ন হয় (ঋঅঙ, ২০১৭)। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অড়হরের চাষ হলেও তা খুব বেশি নয়। তবে বেশির ভাগ অড়হরের চাষ করা হয় কুষ্টিয়া, রংপুর, দিনাজপুর, যশোর ও কুমিল্লা জেলায়। বর্তমানে দেশে মোট প্রায় ৩০০ হেক্টর জমিতে এ ফসলের চাষ হয় এবং এ থেকে বার্ষিক উৎপন্ন ডালের পরিমাণ প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ও গড় ফলন হেক্টরে ১.২৩ টন (কৃষি ডায়েরি, ২০২৪)।
দেশে অড়হরের চাষকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোট ডালজাতীয় শস্যের উৎপাদন বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। অড়হরের চাষ এককভাবে বা আদা, হলুদ বা অন্য ফসলের সাথে আন্তঃফসল, সাথীফসল ও মিশ্রফসল হিসাবে চাষ করা যায়। এটি পতিত জমি, জমির আইলে, ধান বা সবজি ক্ষেতের পাশে খুব সহজে চাষ করা যায়। অড়হর গাছ পশুপাখিতে খায় না তাই বেড়া দেওয়ারও প্রয়োজন হয় না বরং জমির চারপাশে বেড়া দেওয়ার জন্য অড়হর গাছ লাগানো যেতে পারে যা একটা বাড়তি সুবিধা। এ ছাড়াও মহাসড়ক অথবা রেলওয়ে সড়ক বা গ্রামীণ রাস্তার দুইপাশে অড়হরের চাষ করা যায়। শুধুমাত্র বীজের খরচটুকু দিলে এসব জায়গা হতে বাড়তি ফসল হিসেবে অড়হর চাষ করা যাবে। পরবর্তী বছর অর্থাৎ মুড়ি ফসল (জধঃড়ড়হ ঈৎড়ঢ়) হিসাবে গাছকে রাখা হলে দ্বিতীয় বার ফসল পাওয়া সম্ভব। দেশে আমিষ এর চাহিদা পূরণে অব্যবহৃত জমি (বসতবাড়ির আঙ্গিনা/ বসতবাড়ির আশপাশ/ছাদবাগান/ অনাবাদি/পতিত জমি) খুব সহজেই অড়হরের চাষা করা যায় এবং এর গাছ জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডাল গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক পতিত জমি/রাস্তার পাশে চাষ উপযোগী উচ্চফলনশীল অড়হরের জাত বারি অড়হর-১ উদ্ভাবন করা হয়েছে।
জাত পরিচিতি
২০২৩ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য এ জাতটি (ইঅজও অৎযধৎ-১) অনুমোদন লাভ করে। বারি অড়হর-১ জাতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এর পরিমাণ যথাক্রমে ২১%, ১.১২%, ০.৮৬% এবং ০.৭৬%। এছাড়াও জিংক, আয়রনের পরিমাণ যথাক্রমে ১৬ পিপিএম ও ৫৫ পিপিএম ।
জাতের বৈশিষ্ট্য
গাছ খাঁড়া ও শক্ত এবং গাছের উচ্চতা ২-৩ মিটার
প্রাথমিক শাখার সংখ্যা গড়ে ৭-৮টি
গাছের কা- গোড়ার দিকে কাষ্ঠল বর্ণের এবং উপরের দিকে সবুজ বর্ণের
পাতা গাঢ় সবুজ এবং ফুলের রং গাঢ় হলুদ
ফলের আকৃতি নলাকার ও মাঝারি আকারের এবং রক্তবেগুনি বর্ণের
প্রতি পুষ্পমঞ্জরিতে পডের গড় সংখ্যা ২০টা
প্রতি পডে বীজের সংখ্যা ৪-৫ টা এবং বীজের রং লালচে বাদামি
ফল প্রায় একই সাথে পরিপক্ব হয় এবং জীবনকাল ২৫০-২৬০ দিন
১০০ বীজের ওজন ১১-১২ গ্রাম এবং ফলন প্রতিহেক্টরে প্রায় ১.৫-১.৮ টন
বারি অড়হর-১ এর চাষাবাদ ও উৎপাদন প্রযুক্তি
আবহাওয়া ও জলবায়ু
অড়হর একটি গরম আবহাওয়ার ফসল। তবে এটি নানা ধরনের আবহাওয়া সহ্য করতে পারে। সাধারণত ২৫-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অড়হর চাষের জন্য আদর্শ। অঙ্কুরোদগমের সময় ৩০-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধি পর্যায়ে আর্দ্র এবং উষ্ণ আবহাওয়া হলে ভাল হয়। তারপর ধীরে ধীরে শুষ্ক আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় বিশেষ করে ফুল ও শুঁটির বিকাশের পর্যায়ে (১৫-১৮ ডিগি সেলসিয়াস) এবং পরিপক্বতার সময় এটির উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় (৩৫-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। অড়হর জন্মানোর জন্য প্রয়োজনীয় গড় বৃষ্টিপাত ৬০০ থেকে ৬৫০ মিমি। খরা সহনশীলতা এর একটি বড় গুণ। একবার স্থাপিত হলে খরা পরিস্থিতির মধ্যেও অল্প সেচের মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের জন্য বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু ফুল ফোটার সময় মেঘলা আবহাওয়া, অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং ঘন কুয়াশায় পরাগায়ন ব্যাহত হয়, ফলে ফসলের ফলন কমে যায়।
জমি নির্বাচন
পানি জমে না এমন উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি অড়হর চাষের জন্য নির্বাচন করা শ্রেয়। এটি প্রায় সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়, এমনকি লাল পাহাড়ি মাটিতেও চাষ করা সম্ভব। তবে মাটির পিএইচ মাত্রা ৫.৫ থেকে ৭.৫সহ পূর্ণ রোদ, উর্বর এবং সুনিষ্কাশিত দো-আঁশ মাটি অড়হর চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। কিন্তু অধিক লবণাক্ত, ক্ষারযুক্ত এবং জলাবদ্ধ মাটি অড়হর চাষের জন্য উপযোগী নয়।
জমি তৈরি
অড়হরের জন্য খুব উত্তমরূপে জমি তৈরির তেমন দরকার হয় না। সাধারণত ১ থেকে ২ বার চাষ ও মই দিতে হয়। জমি তৈরির সময় জমিকে ভালভাবে সমান করা উচিত। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য মাঝে মাঝে নালার ব্যবস্থা রাখা আবশ্যক, যেগুলো প্রয়োজনে সেচের নালা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। রাস্তা ও পতিত জমিতে চাষের জন্য বপন/রোপণের জায়গায় মাটি নিড়ানি/ কোদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে বপন/রোপণ করা যাবে।
সার প্রয়োগ
অড়হর ফসলে তেমন একটা সারের প্রয়োজন হয় না। তবে অনুর্বর জমিতে হেক্টরপ্রতি ৪০-৪৫ কেজি ইউরিয়া, ৮০-৯০ কেজি টিএসপি, ৩০-৪০ কেজি এমওপি, ৫০-৫৫ কেজি জিপসাম, ৭-১০ কেজি বোরাক্স/বরিক এসিড এবং ১-২ টন জৈবসার শেষ চাষের সময় অথবা গর্তে প্রয়োগ করে মাটিতে মেশানোর পর বীজ বপন করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
বপনের সময় ও বপন পদ্ধতি
সঠিক সময়ে বীজ বপন কাক্সিক্ষত ফলনের জন্য জরুরি। এপ্রিল মাসের ২য় সপ্তাহ থেকে মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত) বীজ বপনের উত্তম সময়, এতে ভাল ফলন পাওয়া যায়। তবে এটি অন্যান্য মাসেও বপন করা যাবে, এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাবে। অড়হরের গাছ ২-৩ মিটার লম্বা, ঝোপালো ও ডালপালা যুক্ত হয় বলে সারি করে বপন করতে হবে। ভালভাবে গাছের বৃদ্ধির জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ থেকে ২.৫ মিটার এবং গাছ হতে গাছের দূরত্ব ২ মিটার করে রাখতে হবে । এক্ষেত্রে বীজ ছোট ছোট গর্ত করে এবং উঁচু আইলে মাদা (উরননষরহম) পদ্ধতিতে অড়হরের বীজ বপন করতে হবে। গাছের সংখ্যা ঠিক রাখার জন্য প্রতি গর্তে ২-৩টি বীজ বপন করতে হবে। গাছ কিছুটা বড় হলে একটি সবল গাছ রেখে অন্য চারাগুলো তুলে ফেলতে হবে । অথবা পলিব্যাগে চারা করে ২০-২৫ দিন পর রোপণ করা যেতে পারে।
বীজের হার
বীজ হার সাধারণত বীজ গজানো ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। ভাল অংকুরোদগম ক্ষমতা (৯০% বা তার বেশি) সম্পন্ন বীজ হলে, সারিতে বপন করলে প্রতি হেক্টরে ১ কেজি বীজের প্রয়োজন হবে ।
সেচ ও নিষ্কাশন
বীজ বপনের সময় জমিতে পরিমিত মাত্রায় রস না থাকলে বীজ বপনের পরপরই হালকা সেচ দিতে হবে অথবা বীজ বপনের পূর্বেই সেচ দিয়ে ‘জো’ অবস্থায় এনে বীজ বপন করতে হবে। অড়হর প্রধানত বৃষ্টি নির্ভর ফসল হওয়ায় গাছ বড় হলে সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে অনেক সময় উঁচু জমিতে ফুল আসার সময় এবং শুঁটি বৃদ্ধির সময় প্রচ- খরা পরিস্থিতি থাকলে প্রয়োজনে সেচ দেয়া উচিত। এটি পানি সহ্য করতে পারে না বিধায় পানি নিষ্কাশনের জন্য অবশ্যই নালার ব্যবস্থা থাকতে হবে, অন্যথায় সেচের বা বৃষ্টির পানি জমে থাকলে শিকড় পচে গাছ মারা যেতে পারে।
আন্তঃপরিচর্যা
প্রাথমিক পর্যায়ে অড়হরের বৃদ্ধি ধীরে হয় এবং গাছও বেশ দুর্বল থাকে। তাই এই অবস্থায় আগাছার সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে না। এজন্য গাছের গোড়া ৩০-৪৫ দিন পর্যন্ত নিড়ানি দিয়ে আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। গাছ বড় হলে আগাছা তেমন সমস্যা করতে পারে না। তবে আগাছার প্রকোপ বেশি হলে কাঁচি দিয়ে কেটে ছোট করে দিতে হবে অথবা গ্লাইফোসেট জাতীয় আগাছানাশক সাবধানে দুই সারির মাঝে স্প্রে করতে হবে যাতে গাছে না লাগে। এ ছাড়া ছোট অবস্থায় গাছকে খুঁটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে যাতে গাছ ঝড়-বৃষ্টিতে হেলে না পড়ে।
ফসল সংগ্রহ, কর্তন ও সংরক্ষণ
বীজ বপনের ২৫০-২৬০ দিন পর (ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ) অড়হর পরিপক্ব হয়। তবে কাঁচা পড সবজি হিসেবে ব্যবহারের জন্য বীজ পরিপক্ব হওয়ার ৩০-৪০ দিন আগে হাত দিয়ে তুলে পড সংগ্রহ করা যায়। পড/শুঁটি পরিপক্ব হওয়ার পর পডসহ পুষ্পস্তবক কেটে অথবা গোড়া থেকে গাছ কেটে আঁটি বেঁধে তা শক্ত মাটিতে বা মাটির উপরে পলিথিন বিছিয়ে অথবা পাকা মেঝেতে ছড়িয়ে অথবা খাঁড়াভাবে দাঁড় করিয়ে রৌদ্রে রেখে ভাল করে শুকাতে হবে। এরপর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বা যান্ত্রিক উপায়ে মাড়াই ও ঝাড়াই করে বীজ পরিষ্কার করে নিতে হবে। বীজ সংগ্রহ করার পর রৌদ্রে শুকিয়ে বীজ ৮-৯% আর্দ্রতায় বায়ু নিরোধ পাত্রে গুদামজাত করতে হবে। বেশি পরিমাণ বীজ গুদামজাত করতে হলে প্রতি ১০০ কেজি বীজের জন্য ২টা ফসটক্সিন ট্যাবলেট ব্যবহার করে ডালের শুঁড়ি পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ফলন
অড়হর জাতের বীজের ফলন প্রতি হেক্টরে ১.৫-১.৮ টন। তবে অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ যত্ন নিলে বীজের ফলন হেক্টরপ্রতি ২ টন এবং জ্বালানি ২-২.৫ টন পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
অড়হর ফসলে নানা ধরনের পোকার আক্রমণ হতে পারে। অড়হরে ফুল ও ফল ছিদ্রকারী ও পাতা মোড়ানো পোকা বেশি ক্ষতি করে। এসব পোকা প্রথম অবস্থায় গাছের পাতা খায়, পরে পড ধরার সময় পড ছিদ্র করে বীজগুলো খেয়ে নষ্ট করে। এসব পোকা দমনের জন্য ক্লোরপাইরিফস ও সাইপারমেথ্রিন এর মিশ্রণ কীটনাশক, যেমন- নাইট্রো ৫০৫ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর দুইবার স্প্রে করতে হবে। এছাড়া অন্যান্য পোকা, যেমন ফুলে থ্রিপস পোকা, ফ্লি বিটল, বাগজাতীয় পোকা (কাউ বাগ, কুডজু বাগ) এবং জাবপোকার উপদ্রব কোনো কোনো সময় দেখা যায়। এসব পোকা দমনের জন্য ফুল ফোটার সময় ইমিডাক্লোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক, যেমন- ইমিটাফ ২০ এসএল প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে ৭ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
রোগবালাই ব্যবস্থাপনা
বীজ বপনের আগে বীজশোধক ঔষধ যেমন প্রোভ্যাক্স-২০০ ডব্লিউপি ২.৫ গ্রাম হারে প্রতি কেজি বীজে মিশিয়ে শোধন করতে হবে যার ফলে শুরুতে গোড়া পচা এবং ঢলে পড়া রোগের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে কমে যায়। এ ছাড়াও মাঠে দেখা দিলে কার্বেনডাজিম (নোইন)+প্রোভেক্স-২০০ ডব্লিউ পি এদের প্রতিটি ১ গ্রাম হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে বিকালে গাছের গোড়ায় ভালভাবে স্প্রে করতে হবে। অড়হরে তেমন রোগের আক্রমণ হয় না, তবে মরিচা রোগ দেখা যেতে পারে। এ রোগের শুরুতে কার্বেনডাজিম জাতীয় (যেমন- অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউ ডিজি) ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ৭ দিন অন্তর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে।
লেখক : ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, মাদারীপুর-৭৯০০। মোবাইল: ০১৭১০-০০৪৯৩৫, ইমেইল:jamilbar11@gmail.com