কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১২:৪৯ PM

কৃষিব্যবসা প্রসারে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম : আধুনিক বিপণন কৌশল

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: বৈশাখ সাল: ১৪৩৩ প্রকাশের তারিখ: ১৬-০৪-২০২৬

কৃষিব্যবসা প্রসারে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম : আধুনিক বিপণন কৌশল
মুন্সী আবু আল মো. জিহাদ
আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশ ভূখ- কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ফল-ফসল আবাদ, সেচ, পশুপাখি পালন ইত্যাদি কৃষি কাজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে মানুষের জীবন ও জীবিকা। সময়ের সাথে সাথে সব কিছুর মতো কৃষিতে ও এসেছে পরিবর্তন। আদ্যিকালের খোরপোষ কৃষির গ-ি পেরিয়ে গোটা বিশ্ব এখন বাণিজ্যিক কৃষির সম্মুখীন। কৃষি বলতে এখন শুধু মাটিতে ফসল ফলানো বা দু-চারটি গরু ছাগল, হাঁসমুরগি পোষাকে বোঝায় না। বরং উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর একাধিক ধাপ কে বুঝায়। যার স্তরে স্তরে রয়েছে কৃষি সংশ্লিষ্ট মধ্যস্বত্বভোগী। বৃহদার্থে সকলেই কৃষি সেক্টরের অংশীদার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.১৯% এবং এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৭৯%। সমসাময়িককালে আবিষ্ট কোভিড-১৯ এবং পৃথিবীর খাদ্যগুদাম খ্যাত ইউক্রেনের সাথে রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও কৃষির এই প্রবৃদ্ধি দেশের কৃষি নির্ভরশীলতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে বাজার বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদদের মতে শতকরা হিসাবে অন্যান্য খাতের তুলনায় এ খাতের অবদান নিম্নমুখী হলেও সরকারি উদ্যোগ, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার (আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ ও ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সহজ বাজারজাতকরণ) প্রভৃতি কারণে আগামী বছরগুলোতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সন্তোষজনক থাকতে পারে। উল্লেখ্য যে, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের অনেকেই কৃষির সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহী, যা আগামীর কৃষির সম্ভাবনার যথার্থতা নিরূপণ করে।
বাংলাদেশের কৃষি অত্যন্ত নাজুক প্রকৃতির। জলবায়ুর পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, খাদ্যাভ্যাসে বিবর্তন ইত্যাদি অবস্থাদৃষ্টে গতানুগতিক চাষাবাদ করে ভাগ্য পরিবর্তন এখন দুরূহ ব্যাপার। তাই কৃষি হতে হবে সমসাময়িক কুশলী, উদ্ভাবনধর্মী ও উদ্যোক্তাঘন। কৃষি উদ্যোক্তা যে কেবল কৃষক পর্যায়ে হবে এমন নয়। কৃষি সংশ্লিষ্ট যে কেউ কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার সমান ক্ষমতা রাখে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের জয়জয়কারের বিশ্বে যার কাছে যত বেশি তথ্য, সে তত বেশি ক্ষমতাবান। সে লক্ষ্যে সম্প্রতি অনেক তরুণ, কৃষিবিষয়ক নানান তথ্যসমৃদ্ধ ব্লগ তথা ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করে আর্থিক ভাবে যেমন- লাভবান হচ্ছে তেমনি দেশের সামষ্টিক কৃষির উন্নয়নে পরোক্ষভাবে অবদান রাখছে। যেহেতু ফসল ভেদে উৎপাদন পদ্ধতি ও বাজারজাত ব্যবস্থায় ভিন্নতা আছে সেহেতু কোন ফসল কখন ভালো ফলন দেয়, পরিচর্যা কেমন, রোগ-বালাই, পোকামাকড়, আবহাওয়ার ঘাত-অভিঘাত, জীবনকাল ইত্যাদি নিয়ে নিত্যনতুন গবেষণালব্ধ তথ্যাদি মাথায় রেখে কৃষি ব্যবসা প্রসারিত হলে আকস্মিক ক্ষতি অধিকাংশেই এড়ানো যায় বা সীমিত করা যায়। উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ সকল কিছু হবে পরিকল্পিত ও প্রয়োজনীয়তার গ-ির ভেতরে। ভোক্তার চাহিদামাফিক উৎপাদন একদিকে যেমন ব্যয়নিষ্ঠ হবে অন্যদিকে পরিমিত জোগানের ফলে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন সহজ হবে।
বলা হয়ে থাকে, ‘প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবনের জনক’। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে করোনাকালীন সময় থেকে। কেননা, করোনাকালীন সময়ে গতানুগতিক সরবরাহ চেইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষিপণ্যের সরবরাহ বিঘিœত হয়। একদিকে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে শহুরে ক্রেতাগণ অধিক মূল্যে পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে ঘরবন্দী মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন স্তরের উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। তখন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষক, পাইকারি ব্যবসায়ী, আড়তদার, খুচরা ব্যবসায়ী, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক, পরিবহন শ্রমিক ও মালিক সংগঠন এবং ভোক্তার মধ্যে সংযোগ প্রতিষ্ঠা করতে উন্মুক্ত ডিজিটাল কৃষি প্লাটফর্ম “ফুড ফর নেশন” চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার। যেকোনো জরুরি অবস্থায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও অনলাইনে কৃষিপণ্য বিকিকিনি দৈনন্দিন কর্মকা-ের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে অনলাইন ভিত্তিক বাজার তথা ই-কমার্স এর অন্যতম উদীয়মান খাত বাংলাদেশের অনলাইন কৃষিব্যবসা। তথ্যপ্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতার দরুন কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে পশু কেনাবেচা পর্যন্ত অনলাইন কৃষি ব্যবসা পেয়েছে নতুনমাত্রা।
কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে কৃষি ব্যবসা প্রসারের স্ুেযাগ রয়েছে। সাধারণত স্বল্প শিক্ষিত হয়েও নিজস্ব ওয়েবসাইট পরিচালনার মাধ্যমে নিজের পণ্য ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরার ব্যাপক সুযোগ আছে। যদিও তা বেশ জটিল ও ধৈর্য্য সাপেক্ষ বিষয় কারণ এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতা প্রয়োজন। তবে নিজস্ব ওয়েবসাইট পরিচালনার ঝামেলা এড়াতে চাইলে বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ই-কমার্স প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে যুক্ত হয়ে কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী এবং ভোক্তা উভয়েই কেনাবেচা সম্পন্ন করতে পারেন। যেমন- আইফার্মার (রঋঅজগঊজ) একটি কৃষিভিত্তিক কোম্পানি, যার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কৃ-শপ ধীরে ধীরে সুপরিচিত হয়ে উঠছে। এ ছাড়াও কৃষিবাজার, এগ্রোবাংলা শপ, ফার্মস ফাই (ভধৎসংভু) ইত্যাদি সমধিক উদীয়মান অনলাইন কৃষি প্লাটফর্ম। তবে সরকারিভাবে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে আলাদা আলাদা অনলাইন কেনাবেচার ব্যবস্থা করে ইন্টারনেট ভিত্তিক কৃষি বিপণন কে ত্বরান্বিত করতে কাজ করছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর (উঅগ)। এ লক্ষ্যে ‘সদাই’ শিরোনামে সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্র্ম পরীক্ষামূলকভাবে চলমান রয়েছে। যা মূলত স্মার্টফোনে ব্যবহারযোগ্য একটি অ্যাপ ভিত্তিক ওয়েবসাইট। সকল স্তরের মানুষের কার্যকরভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে সমস্ত ফিচারগুলো সহজবোধ্য বাংলায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে নির্ভরযোগ্য কেনাবেচায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। এরচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার করে কৃষি ব্যবসার প্রচার ও প্রসার করা। এক্ষেত্রে পণ্য বা সেবার ছবি পরিষ্কারভাবে তুলে সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ ক্রেতাগণের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতে হবে। তবে এসমস্ত মাধ্যমে ব্যবসা সফল হতে হলে ক্রেতাদের জিজ্ঞাসা, চাহিদা, ফিডব্যাক ইত্যাদিতে নিয়মিত সাড়া দেয়া, তদানুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ এবং বিশ্বস্ততা অর্জন করা বাঞ্ছনীয়। বলাবাহুল্য, বর্তমানে অধিকাংশ স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ বিশ্বস্ত অনলাইন ব্যবসায়ীর কাছে থেকে বাগান বা ক্ষেতের সতেজ ফল, সবজি কিনতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। বিশেষ করে মৌসুমী ফল হিসেবে রাজশাহী বা চাপাইনবাবগঞ্জের আম, দিনাজপুরের লিচু এ ছাড়াও যশোরের খেজুর গুড় ইত্যাদি এখন অনলাইন চাহিদার শীর্ষে। আবহাওয়া অনুকূল মোটামুটি ১৪০ রকমের ফসল চাষাবাদ হয় বাংলাদেশে। বর্তমানে প্রচলিত চাষবাসের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ফলমূল, শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে। অঞ্চলভেদে পণ্যের নানান সমারোহ নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপন এসকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের দৃষ্টিগোচর হয়। তবে ফসল সংগ্রহ, পরিবহন এবং সময়মত বাজারজাতকরণের আধুনিক সুবিধা ও পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবে দেশে প্রতিবছর এসকল উৎপাদনের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ নষ্ট হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)’র হিসাব অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য, বেলজিয়াম ও যুক্তরাজ্য সহ মোট ১৪৮টি দেশে বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯৫.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের রপ্তানি করেছে। সম্ভাবনাময় এই খাত থেকে বৈদেশিক বাজারের ক্রেতা আকৃষ্ট করা প্রকারান্তরে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের ই নামান্তর।
অনলাইন কৃষি ব্যবসার সবচেয়ে সুবিধাজনক দিক হলো স্বল্প পুঁজির ব্যবহার। এ ছাড়া উৎপাদিত পণ্য বা সেবা যত সামান্য মাত্রারই হোক না কেন সেটি দিয়েই ব্যবসা শুরু করা যায়। বাড়তি হিসেবে কেবলমাত্র একটা স্মার্ট ফোন আর ইন্টারনেট সংযোগই যথেষ্ট। উপরন্তু এ পদ্ধতিতে কোনো মধ্যস্বত্ত্বভোগীর উপস্থিতি নাই যার ফলে ক্রেতা যেমন সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারে তেমনি কৃষক ও ন্যায্য দাম পায়। তথ্য প্রবাহের অবাধ যুগে বাড়তি সুবিধা হিসেবে প্রতিযোগী কৃষক বা উৎপাদনকারী কোন মানের পণ্যের কেমন দাম ঠিক করছেন তা সহজেই জানা যায় বিধায় অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারনের সুযোগ থাকে না। তদুপরি ভোক্তাগণও যাচাই বাছাই করে কাক্সিক্ষত মানের পণ্য ও সেবা পেতে পারে। সময়ের সীমাকে পাশ কাটিয়ে বাজার প্রসারিত হয়েছে সপ্তাহে সাত দিন, দিন রাত চব্বিশ ঘণ্টা। ভার্চুয়াল তথা স্থান নিরপেক্ষ মাধ্যম হওয়ায় একদম কৃষি উপকরণ থেকে শুরু করে উৎপাদিত সব ধরনের কৃষিপণ্য গ্রাম থেকে শহর কিংবা শহর থেকে গ্রাম যে কোনো দিকে হাতবদল হতে পারে। তবে বেশকিছু সীমাবদ্ধতা যেমন প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট (প্রশিক্ষণ, মূলধন সহায়তা, উচ্চ গতির ইন্টারনেট, পণ্যের বহুমাত্রিক মান নির্ধারণ জ্ঞান), দেশি বিদেশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ইত্যাদি ইস্যু সত্ত্বেও আশাব্যঞ্জক কথা হলো, স্থানীয় বাজার পেরিয়ে জাতীয় বাজার ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে পারলে একদিকে যেমন বেকারদের এবং নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে তথা গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হবে অন্যদিকে রপ্তানিমুখী উৎপাদন, কন্টাক্ট ফার্মিং এর প্রসার ঘটবে। প্রাথমিকভাবে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরকেন্দ্রিক অনলাইন ব্যবসা গড়ে উঠলেও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে প্রত্যন্ত এলাকা থেকেও এর সুফল পাওয়া সম্ভব। গ্রামীণ কৃষি কে জাতীয় কৃষির সাথে সংযুক্ত করে রপ্তাণি বাড়াতে গেলে, বিশেষ করে বিদেশে বড় সুপারশপ গুলোতে পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের উত্তম কৃষিচর্চা বাড়াতে হবে। ল্যাব টেস্ট ও সার্টিফিকেশন আরো দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে কৃষিকে যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংযোজন, সংশোধন ও রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো সুদৃঢ় করা এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় বেষ্টিত ক্ষুধাশূন্য পৃথিবী গড়ার গর্বিত অংশীদার হওয়ার জন্য স্মার্ট বিপণন কৌশল বাস্তবায়ন অন্যতম উপায় হতে পারে বাংলাদেশের।

লেখক : বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট, নশিপুর, দিনাজপুর। মোবাইল : ০১৬৮০৩২৬০২৫

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন