কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯ এ ১২:৪৭ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: কার্ত্তিক সাল: ১৪২৬ প্রকাশের তারিখ: ২৮-১০-২০১৯
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস সাড়ম্বরে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর দিনটিতে জাতিসংঘের অন্যতম একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান Food and Agriculture Organization (FAO) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মানুষের প্রধানতম মৌলিক চাহিদা হলো তার খাদ্য। মানবজাতির অস্তিত্বের প্রশ্নে খাদ্যের অপরিহার্যতা, এর ব্যাপ্তি, সীমাবদ্ধতা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ১৬ অক্টোবরকে প্রতি বছর বিশ্ব খাদ্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিভিন্ন বছরে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে এ দিবস পালিত হয়। এ বছর বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৯ এর প্রতিপাদ্য হলো ‘Our Actions are our Future. Healthy diets for a # Zero Hunger world প্রতিপাদ্যের বাংলা ভাবার্থ নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাক্সিক্ষত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী’ বিশ্বের বর্তমান বাস্তবতায় এবারের প্রতিপাদ্য সময়োপযোগী ও যথার্থ বলেই বিবেচিত হয়। কারণ ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ এতো অমোঘবাণী। ব্যক্তি জীবনের কর্মফল যেমন তার জীবনের ভবিষ্যৎকে বহুলাংশে প্রভাবিত করে তেমনি মানবজাতির সামষ্টিক কর্মফলও তার ভবিষ্যৎ পথ নির্দেশ করে। মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের ধারাবাহিকতায় জীবনটাকে আরও একটু উন্নততর বা আয়েশি করার জন্য বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডর ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি, জীব জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বিভিন্ন অভিঘাত এখন সর্বত্র অনুভ‚ত হচ্ছে। যার পরিণতিতে এ গ্রহটির ভষ্যিৎ নিয়েই অনেক চিন্তাবিদ, গবেষক আতক্কিত বোধ করছেন। ভবিষ্যতের এই যে শঙ্কা বা আতঙ্ক মানবজাতির সামগ্রিক কর্মফলেরই পরিণতি বলে বিশ্বাসযোগ্য কারণ রয়েছে।
বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০১৯ এর প্রতিপাদ্যের অপর অংশ ‘পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাক্সিক্ষত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী’ বা Zero Hunger world। এটাও সময়ের বাস্তবতায় যথার্থ। শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সাধন ও ক্ষয়পূরণের জন্য মানুষ যা খায় তাই তার খাদ্য। পুষ্টি উপাদান অনুযায়ী খাদ্যেরও শ্রেণী বিভাগ আছে। তবে ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়তে হলে দু’টি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, পুষ্টিকর খাবারের পর্যাপ্ততা (availability) নিশ্চিতকরণ দ্বিতীয়ত সব জনগোষ্ঠীর জন্য খাবার প্রাপ্তির সামর্থ্য (affordable) নিশ্চিতকরণ। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর অমর্ত্য সেন বলেছেন শুধুমাত্র খাদ্যের পর্যাপ্ততা কোনো দেশ বা জাতিকে ক্ষুধামুক্ত করতে পারে না যতক্ষণ না সব জনগোষ্ঠীর জন্য ওই খাদ্য প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ‘ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী’ শব্দ দু’টি বলতে ও শুনতে অন্তরে অনাবিল প্রশান্তি জাগায় বটে কিন্তু বাস্তবতা বহু দূর। এখনও এ পৃথিবীর অনেক দেশ অনেক জাতিগোষ্ঠী আছে যারা চরম দারিদ্র্য অথবা দারিদ্র্যসীমায় অবস্থান করছে, তাদের বেঁচে থাকার স্বাভাবিক খাবারই নিশ্চিত করা যায়নি সেখানে পুষ্টিকর খাবার তো বিলাসী স্বপ্ন। আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- FAO, IFAD, WFP, IFPR প্রভৃতি বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে । এসব সংস্থা তাদের নিজস্ব কর্ম পরিকল্পনার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার প্রণীত কৃষি ও খাদ্যসংশ্লিষ্ট প্রকল্প অথবা কর্মসূচিতে সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনে ভূমিকা রাখছে ফলশ্রুতিতে বিশ্বের অনেক দেশে দারিদ্র্যের হার কমছে।
আমরা যদি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের চিত্র পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাই এক অনন্য সাফল্যগাথা। মাত্র দেড় দশকেরও কম সময়ে আমাদের দারিদ্রতা যে হারে কমেছে তা অনেক দেশের জন্যই অনুকরণীয়। বিবিএসের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের দারিদ্রতার হার নেমে এসেছে ২১.৮% যা ২০০৫ সালে ছিল ৪০% এবং ২০১৬ সালে ছিল ২৪.৩%। অন্যদিকে ২০১৮ সালে চরমদারিদ্র্যের (extreme poverty) হার নেমে হয়েছে ১১.৩% যা ২০০৫ সালে ছিল ২৫.১% এবং ২০১৬ সালে ছিল ১২.৯%। কৃষির কথা যদি বলি সেখানে আরেক সাফল্যগাথা। বিগত এক দশকে কৃষির সবগুলো সেক্টর-ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এফএও এর বাংলাদেশ কার্যালয় ২০১৮ সালের ১০ ডিসেম্বর পূর্বাভাস দিয়েছিল ২০১৮-’১৯ অর্থবছরে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। পূর্বাভাস যথার্থই ছিল, ডিএইর সূত্রে জানা যায় ফসল সেক্টরে শুধু দানাদার শস্যের উৎপাদনই এখন চার কোটি টনের উপরে, গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন মিলিয়ে শাকসবজির উৎপাদন দেড় কোটি টন, দেশে প্রচলিত স্বল্প প্রচলিত এবং বিদেশী ফল যেগুলো এখানে অভিযোজিত হয়েছে সবমিলিয়ে ফলের উৎপাদন এখন কোটি টনের উপরে। ফল সবজির উৎপাদন শুধু বাড়েনি এর বহুমুখীকরণও হয়েছে। তাই তো দেশের বাজারে সব সময় বৈচিত্র্যময় শাকসবজি ও ফলের সমাহার দেখা যায়।
নিরাপদ পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য শস্য উৎপাদন ও খাদ্যের সহজলভ্যতা বজায় রাখতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য অধিদপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে তাল মিলিয়ে হর্টেক্স ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে। হর্টেক্স ফাউন্ডেশন কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য যেমনভাবে কৃষিপণ্য ব্যবসায়ীদের কারিগরি প্রযুক্তি ও বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে ঠিক তেমনি রপ্তানিযোগ্য নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদনে কৃষক পর্যায়ে কাজ করছে। ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম ফেজ ওও প্রজেক্টে কৃষি সম্প্রসারণ অদিপ্তর এর সাথে হর্টেক্স ফাউন্ডেশন কৌশলগত অংশীদার হিসেবে ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবসথাপনা ও কৃষিপণ্যের বাজার উন্নয়নের উপর ৩০টি উপজেলায় কাজ করছে। প্রকল্প এলাকায় লাভজনকভাবে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের লক্ষ্যে কৃষিপণ্য সংগ্রহকরণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র (সিসিএমসি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ঈড়সসড়হ ওহঃবৎংবঃ এৎড়ঁঢ় (ঈরএ)এর কৃষকদের সংগঠিত করে চৎড়ফঁপবৎ ড়ৎমধহরুধঃরড়হ গঠিত হয়েছে। এ সংগঠনের সদস্যগণের মধ্য হতে গঠিত বাজার পরিচালনা কমিটির দর কৃষকের মাধ্যমে লাভজনকভাবে সিসিএমসিতে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা গড়ে উঠতেছে। নিরাপদ ফসল উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা যেমন ফসল সংগ্রহ সময়কাল (গধঃঁৎরঃু ওহফবী), সংগ্রহ কৌশল, সর্টিং, ধৌতকরণ (ওয়াশিং), গ্রেডিং, প্যাকিং ইত্যাদি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষক ও কৃষিপণ্য ব্যবসায়ীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে হর্টেক্স ফাউন্ডেশন দেশ ও বিদেশের বাজারে নিরাপদ ফসল বাজারজাত করণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছে। প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত পরামর্শমূলক সেবা দানের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে রপ্তানির জন্য উচ্চ মূল্যের কৃষিপণ্যসহ কৃষি ব্যবসা উন্নততর ও বহুমূখী করাই হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য।
দেশের মৎস্য সেক্টরের উন্নতিও ঈর্ষণীয়। বিবিএসের তথ্যে জানা যায়, দেশের সবগুলো উৎস থেকে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে যেখানে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২৩২৮৫৪৫ মে.টন সেখানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছিল ৪১৩৪৪৩৪ মে.টন। প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৬০%। বিগত দুই বছরে মাছের উৎপাদন আরও বেড়েছে। মৎস্য সেক্টরে বাংলাদেশ আরও একটা বিরল সম্মান অর্জন করেছে এফএও এর তথ্য মতে, ২০১৮ সনে অভ্যন্তরীণ জলজ উৎস (রহষধহফ ধিঃবৎ ংড়ঁৎপব ) থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। অথচ পূর্ববর্তী বছরের অবস্থান ছিল পঞ্চম। এক্ষেত্রে চীন প্রথম ভারত দ্বিতীয়। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক পুনর্নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী এখন দেশে মাথাপিছু প্রতিদিন মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫ গ্রাম যেখানে প্রয়োজন ৬০ গ্রাম। “ঞযব ঝঃধঃব ড়ভ ডড়ৎষফ ঋরংযবৎরবং ধহফ অয়ঁধপঁষঃঁৎব ২০১৮” রিপোর্ট অনুযায়ী সামগ্রিক মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম।
কৃষির আর একটি সেক্টর হলো প্রাণিসম্পদ যেটি মাংস, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত উপাদেয় ও পুষ্টিকর খাবারের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মাংসের উৎপাদন হয় ৭১.৫০ লক্ষ মে.টন। দেশে মাংসের চাহিদা ৭১.৩৫ মে.টন। মাথাপিছু প্রতিদিন মাংসের চাহিদা ১২০ গ্রামের বিপরীতে উৎপাদন ১২১.৭৪ গ্রাম। উল্লিখিত তথ্যে দেখা যায় মাংসের চাহিদার পুরোটাই দেশে উৎপাদন হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ডিমের উৎপাদন হয়েছে ১৫.৫২ বিলিয়ন, এক দশক আগেও যার উৎপাদন ছিল ৫.৬৫ বিলিয়ন। ডিমের বার্ষিক চাহিদা ১৭.১৩ বিলিয়ন। চাহিদার বিপরীতে দেড় বিলিয়নের কিছু বেশি ঘাটতি আছে। নয়-দশ বছর আগে বার্ড ফ্লু দুর্যোগে দেশের উদীয়মান পোল্ট্রি শিল্প বিপর্যয়ের মধ্যে না পড়লে হয়তো ডিমের এ ঘাটতি থাকত না। তবে আশার কথা পোলট্রি শিল্প ঘুরে দাঁড়ানোর পথে আছে। দেশে বর্তমানে দুধের চাহিদা ১৫.০৪ মিলিয়ন টনের বিপরীতে ২০১৮ সনে উৎপাদন মাত্র ৯.৪ মিলিয়ন টন। অবশ্য “ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঋধৎস ঈড়সঢ়ধৎরংড়হ ঘবঃড়িৎশ (ওঋঈঘ )” এর ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৮ সনে দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ৮.০৮ মিলিয়ন টন। পরিসংখ্যানে দেখা যায় দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যে এখনও অনেক ঘাটতি আছে, তবে এ ঘাটতি পূরণে নানামুখী কর্ম পরিকল্পনা চলছে। আশা করা যায় ভবিষ্যতে দুধের ঘাটতি কমে যাবে।
দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি, অবকাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তাসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনেকগুলো সূচকের অভাবনীয় সফলতা সম্ভব হয়েছে সরকারের সঠিক নীতি সহায়তা, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কারণে। বর্তমান দেশে খাদ্যের প্রাচুর্যতা এবং অন্যান্য আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটায় সব ধরনের জনগোষ্ঠীর ভোগ চাহিদা বেড়ে গেছে, বেড়েছে পূর্বাপেক্ষা পুষ্টিমান সম্মৃদ্ধ খাবার গ্রহণের পরিমাণ, তাই বেড়েছে জনগণের গড় আয়ু (বিবিএসের তথ্যানুযায়ী ৭২ বছর)। সামগ্রিক অর্থনীতির আশা জাগানিয়া প্রবৃদ্ধি হলেও এখনও আমরা চরমদারিদ্র্য বা দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হতে পারিনি। বিশ্ব খাদ্য দিবসের সেøাগান অনুযায়ী দেশের সব জনগোষ্ঠীর জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করে ক্ষুধামুক্ত পৃথিবীর অংশ হতে এখনও পারিনি বটে তবে সেøাগানের আর এক অংশ ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষৎ’ সামনের পথ নির্দেশনা দেয়। বিগত দশকের অভূতপূর্ব উন্নয়নের উদীপ্ত কর্মফলের ধারাবাহিকতা আগামীতে চলমান রাখতে পারলে আমরা আশান্বিত হতেই পারি ২০৩০ সালের এসডিজি গন্তব্যে বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত দেশ এবং ক্ষুধামুক্ত পৃথিবীর গর্বিত অংশীদার।
কৃষিবিদ মোঃ মনজুরুল হান্নান১কৃষিবিদ মোঃ কুদরত-ই-গনী২
১ব্যবস্থাপনা পরিচালক ২পরিচালক (অবঃ), ডিএই ও ট্রেনিং ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্ট এনএটিপি-২, হর্টেক্স ফাউন্ডেশন, সেচ ভবন, মানিক মিয়া, এভিনিউ, ঢাকা, মোবাইল নং ০১৭১১৮১৬৪৫২, Email: qghani57@gmail.com ,