কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫ এ ০৫:৫৮ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: আষাঢ় সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৫-০৬-২০২৫
স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও বাণিজ্যিকীকরণে দেশী ফল : বর্তমান প্রেক্ষিত, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
ড. মো. মসিউর রহমান
কৃষি বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি এবং অর্থনীতির জীবনরেখা হিসেবে বিবেচিত। কৃষি প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই নয় বরং এর অর্ধেক জনসংখ্যার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু ফল চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ঋঅঙ) এর অনুসারে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ১০ম গ্রীষ্মম-লীয় ফল উৎপাদনকারী দেশ। গত ২০ বছরে বাংলাদেশ ফল উৎপাদন বৃদ্ধির হারে ১১.৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ফল উৎপাদনে শীর্ষ গত ২০ বছর আগে আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, লিচুই ছিল দেশীয় বাণিজ্যিক ফল। এখন কমপক্ষে ২২ প্রজাতির দেশীয় ফলের উৎপাদন ও বিক্রি হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৮০ ধরনের প্রচলিত, অ-প্রচলিত এবং বিদেশী ফল উৎপাদিত হচ্ছে এবং প্রতি বছর নতুন নতুন অনেক ফল এই তালিকাকে সমৃদ্ধ করছে। কেবল ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রেই নয়, গত চার-পাঁচ বছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু ফলের ব্যবহারও দ্বিগুণ হয়েছে।
ফলের গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা
বাংলাদেশে বর্তমানে আম, আনারস, পেয়ারা, লটকন, আমড়া, লেবুর মতো দেশী ফলের বাণিজ্যিক চাষ এবং বিপণন হচ্ছে। দেশে বিভিন্ন প্রকার ফল উৎপন্ন হয় এর মধ্যে আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, পেয়ারা, লিচু, কুল এবং লেবুকে প্রধান ফল বিবেচনা করা হয়।
গত দুই দশকে অনেক শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তা এসব ফলের বাণিজ্যিক বাগান সৃজনের মাধ্যমে কৃষিকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। ফল ব্যবস্থাপনা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমঘন বিধায় ফল চাষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এবং নিশ্চিত করছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। ফলের গড় ফলন দানা শস্যের তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া ফলের দাম বেশি হওয়ায় এতে মুনাফা তুলনামূলকভাবে অধিক। উদাহরণস্বরূপ, এক হেক্টর জমি থেকে ধান বা গম চাষ করলে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে কলা এবং আম চাষে যথাক্রমে ৭৫ হাজার টাকা এবং ১ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। ফলে প্রতি বছর ফলের চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের প্রধান প্রধান ফলের এলাকা, উৎপাদন ও বাজারমূল্য সারণি-১ দ্রষ্টব্য।
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ফলের ভূমিকা
ফল আমাদের খাদ্যতালিকার একটি অপরিহার্য অংশ। এতে রয়েছে বহু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা আমাদের শরীরকে রোগমুক্ত, সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে। নিয়মিত ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। ফলে রয়েছে ভিটামিন (ভিটামিন অ, ই, ঈ, ঊ ও ক ইত্যাদি), খনিজ পদার্থ (যেমন : পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন), আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
ফলের পুষ্টি ও ঔষধিগুণ
ফলে রয়েছে বহুবিধ পুষ্টি ও ঔষধিগুণ। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন- পেয়ারা, আমলকী, আমড়া, লেবু ইত্যাদি ঠা-া-কাশি ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক; আঁশযুক্ত ফল যেমন- পেয়ারা, কাঁঠাল, বেল হজমশক্তি উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে; বিটা-ক্যারোটিনসমৃদ্ধ ফল যেমন- পেঁপে, আম, বাতাবিলেবু, ড্রাগন ফল চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে; অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (যেমন- ফ্ল্যাভোনয়েড ও পলিফেনলস) সমৃদ্ধ ফল হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে; লো ক্যালোরি যুক্ত ফল যেমন- জাম, বেল, করমচা, ড্রাগন ফল রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে; পেঁপে, লেবু, কলা, বেলে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ও বার্ধক্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।
বাংলাদেশে ফল গবেষণার অর্জন
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইউ), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (জিএইউ), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ (পিএসটিইউ) কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ফলের গবেষণায় নিয়োজিত আছে। ফলের গবেষণা, উন্নয়ন ও জাতীয় উৎপাদনে এদের অবদান অনস্বীকার্য। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন ফলের ২০৬টি জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে ইঅজও ফলের ৪০টি প্রজাতির ১০৩টি জাত। ইঅট ২৮টি প্রজাতির ৮৫টি জাত। এঅট ৪টি প্রজাতির ৮টি জাত এবং চঝঞট ৯টি প্রজাতির ৯টি জাত উদ্ভাবন করেছে। এ ছাড়া কিছু স্বনামধন্য নার্সারি বিদেশ থেকে নতুন জাতের চারাও আমদানি করেছে। যা দেশের ফল উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
অল্প জমিতে উচ্চফলন উৎপাদনের জন্য, বিএআরআই বিভিন্ন ফল ফসলের হাইব্রিড জাতের উদ্ভাবনের উপর জোর দিয়েছে। যদিও ফলের সংকরায়ন কৌশল বেশ কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ তবুও বিএআরআই আম, কাঁঠাল, লিচু, পেঁপে, পেয়ারা, অ্যাভোক্যাডো, ড্রাগনফল ইত্যাদির সংকরায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং অনেকগুলো হাইব্রিড জাত উদ্ভাবন করেছে। যার মধ্যে ৪টি হাইব্রিড জাতের আম মুক্তায়িত হয়েছে। এর মধ্যে বারি আম-৪ এরই মধ্যে আমের একটি মেগা ভ্যারাইটি হিসাবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বর্তমানে ফল গবেষণা কেবল উচ্চফলনশীল জাতেই কেন্দ্রীভূত নেই বরং পুষ্টির মান এবং সুরক্ষাও বিবেচনা করা হচ্ছে। বিএআরআই ১০৩টি জাতের পাশাপাশি ৭৬টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। যার ধারাবাহিকতায় আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, আনারস, জারালেবু এবং পেঁপের জন্য বাংলাদেশ এঅচ প্রোটোকল উদ্ভাবন করা হয়েছে এবং অন্যান্য ফসলের প্রোটোকল উদ্ভাবন চলমান আছে। উক্ত প্রোটোকলসমূহ অনুসরণের মাধ্যমে এসব ফলের রপ্তানিযোগ্য ও নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত হবে। কৃষকরা আম, কলা, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচুর ইত্যাদির উৎপাদনের জন্য ফলের ব্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।
ফলের রপ্তানি
বাংলাদেশ এখন জীবিকানির্ভর কৃষি থেকে রপ্তানিমুখী বাণিজ্যে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশের ফল বিশ্ব বাণিজ্যে অবদান রাখছে। বিদেশে তাজা এবং প্রক্রিয়াজাত ফলের বিপুল চাহিদার কারণে, বাংলাদেশ বর্তমানে সীমিত পরিমাণে তাজা ফল রপ্তানি করছে। বাংলাদেশ আম, কাঁঠাল, কাঁচাকলা, আনারস, লিচু, ড্রাগনফল, পেয়ারা, লেবু, জারালেবু এবং সাতকড়াসহ ৩৪ ধরনের ফল বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। যার মধ্যে যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, রাশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইন অন্যতম। বাংলাদেশ রপ্তানি ব্যুরোর তথ্য অনুসারে ২০২২-২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে ৮,৪০৬ মেট্রিক টন ফল রপ্তানি করে প্রায় ২৯.২৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার আয় হয়েছে। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনার ফল। বর্তমানে বাংলাদেশে এঅচ অনুসরণ করে উৎপাদন, ফলের সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা, কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, রপ্তানি উপযোগী জাতের ব্যবহার, আধুনিক প্যাকিং হাউজ এবং ল্যাবরেটরি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কাজ চলমান আছে। যা আগামীতে ফল ফসলের রপ্তানিকে বহুগুণে বৃদ্ধি করবে।
ফল উন্নয়নের বর্তমান প্রেক্ষিত
কৃষি এখন খোরপোষ থেকে বাণিজ্যিক কৃষির যুগে প্রবেশ করছে। বাণিজ্যিক প্রযুক্তি কৃষিকে দিন দিন আরও সহজ করে তুলছে। ফল চাষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে। কারণ এই বিষয়গুলোর সুবিধা কৃষক পর্যায়ে পৌঁছালে কৃষি নতুন মাত্রা পাবে। বাংলাদেশের ফল বিশ্ব বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করবে। এ জন্য প্রয়োজন ফল খাতের উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। ফল উৎপাদনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো যথেষ্ট শক্তিশালী করা দরকার। দেশে বিদ্যমান খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা মোকাবিলায় চাহিদাভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তি তৈরির জন্য একটি পৃথক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। কৃষি-জলবায়ু অবস্থার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের উদ্যান ফসলের উপযুক্ততার মানচিত্রও অনুপস্থিতি, যেখানে একটি নির্দিষ্ট ফসলের সর্বোত্তম উৎপাদনশীলতার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এলাকা চিত্রিত করা থাকবে। ফল উন্নয়নের জন্য উপরোক্ত সীমাবদ্ধতাগুলো দূরীকরণের জন্য দেশের গবেষণা ও উন্নয়ন কৌশলগুর পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন। ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড বাংলাদেশের। বাংলাদেশে ফল উৎপাদনের বর্তমান পরিস্থিতি সারণি-২ দ্রষ্টব্য।
ফল খাত উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়
ফলের হাইব্রিড ও জলবায়ু সহনশীল জাত এবং সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা, মূল্য সংযোজন ইত্যাদি প্রযুক্তি উদ্ভাবন; বছরব্যাপী, অমৌসুমি এবং আগাম ও নাবী জাতের ফলের উৎপাদনের নিমিত্তে জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন; জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের জন্য গবেষণা জোরদারকরণ; প্রতিকূল বাস্তুতন্ত্রের জন্য ফলের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং ব্যবহার মানসম্পন্ন রোপণ উপকরণ (ছচগ) উৎপাদন এবং সরবরাহ নিশ্চিত করা; নিরাপদ ফল উৎপাদনের জন্য উত্তম কৃষি চর্চা (এঅচ) অনুসরণ নিশ্চিত করা; গবেষণা, সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা জোরদার করা; উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন, ফলের জন্য উচ্চপ্রযুক্তি যেমন- জৈবপ্রযুক্তি, স্পিড ব্রিডিং, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি; ফলের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি হ্রাস, প্রক্রিয়াকরণ ও মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করা; স্থানীয় এবং রপ্তানি বাজারের জন্য পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মান উন্নত করা; অনুন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা, হিমাগারের অভাব এবং দুর্বল বাজার কাঠামোর উন্নয়ন; মাতৃগাছ ও মাতৃবাগানের রক্ষণাবেক্ষণ; ফল উন্নয়নের জন্য কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদার করা; মানবসম্পদ উন্নয়ন করা।
গত দুই দশক ধরে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে দেশে ফল উৎপাদনে এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং কৃষিজমি হ্রাসের বিপরীত চাপ সত্ত্বেও ১৯৭২-৭৩ সালের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান খাদ্যশস্য উৎপাদন প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সাথে সাথে, ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিও সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছে। নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্থসামাজিক ও পুষ্টিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব। সে সাথে বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে। যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে।
তথ্য সূত্র :(Ahmed, U.A, Bakhtiar, M.M., Ali, A., Ghostlaw, J. and Nguyen, P.H. 2022. Trends and Inequities in Food, Energy, Protein, Fat, and Carbohydrate Intakes in Rural Bangladesh. The Journal of Nutrition 152(11): 2591-2603.)
লেখক : মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর; মোবাইল : ০১৭১৬৮৩৮৫৮৬, ই-মেইল :moshiur.bari@yahoo.com