কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এ ০৫:৩১ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: আশ্বিন সাল: ১৪৩০ প্রকাশের তারিখ: ১৯-০৯-২০২৩
সম্পাদকীয়
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। কৃষি এখন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রধান পেশা। অধিকাংশ জনগণই জীবন জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্য কৃষির উপর নির্ভরশীল। এ দেশের আবহাওয়া ও উর্বর জমি সারা বছর ফসল উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের যত অর্জন আছে, তার মধ্যে ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। ফসল উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দশ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ। কৃষিক্ষেত্রে এ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন দিকনির্দেশনা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী কার্যক্রম পাশাপাশি কৃষি বিজ্ঞানি, কৃষিবিদ, সুশীলসমাজ ও কৃষকসমাজের নিবিড় অংশগ্রহণে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতিতে এসেছে বৈচিত্র্য। প্রতিকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি রয়েছে পোকামাকড়, রোগবালাই ও ইঁদুরের উপদ্রব। আশ্বিন মাস ইঁদুর দমনের উপযুক্ত সময়। ইঁদুর একটি চতুর, সর্বভুক, নিশাচর ও নীরব ধ্বংসকারী প্রাণী। এটি ছোট হলেও ক্ষতির ব্যাপকতা অনেক। যেকোন পরিবেশে যেকোন খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। প্রতি বছর কৃষকের উৎপাদিত ফসলের একটি বড় অংশ ইঁদুর দ্বারা নষ্ট হয়। শুধু ফসল নয়, ইঁদুর মানুষের স্বাস্থ্য পরিবেশ সম্পদেরও ক্ষতি করে। ইকোসিস্টেম রক্ষা করে ইঁদুর প্রতিরোধে কোনো একক পদ্ধতি শতভাগ কার্যকর নয়। ইঁদুর সমস্যা সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে ১৯৮৩ সাল থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ইঁদুর নিধন অভিযান মাসব্যাপী সারাদেশে একযোগে পরিচালনা করে আসছে। এ বছরও সমন্বিতভাবে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২৩ পরিচালিত হচ্ছে।
ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২৩ উপলক্ষ্যে কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষিকথা বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংখ্যায় ইকোসিস্টেম রক্ষা করে ইঁদুর নিধনের তথ্য উপাত্তসমৃদ্ধ প্রবন্ধ, সময়োপযোগী নিবন্ধ, কবিতা ও নিয়মিত বিভাগের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি কৃষিকথা সকল স্তরের জনগণকে ইঁদুর নিধন কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। দেশ খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে সফলকাম হবে।