কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:০৯ AM

বাঁশ চাষপ্রযুক্তি ও সম্ভাবনা

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: চৈত্র সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৫-০৩-২০২৬

বাঁশ চাষপ্রযুক্তি ও সম্ভাবনা
সেখ জিয়াউর রহমান
বাঁশকে বলা হয় গরিবের কাঠ। কিন্তু আসলে বাঁশ বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। গ্রামেই এখন একটি বাঁশ প্রজাতিভেদে ১০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। আগে এ দেশে প্রচুর বাঁশ জন্মাত। সাম্প্রতিক সময়ে বাঁশের উৎপাদন দ্রুত কমে যাচ্ছে। পূর্বের অনেক বাঁশের জমি বা বাগান এখন ধান ও অন্যান্য ফসল চাষের আওতায় চলে আসছে, পাহাড়ে সংরক্ষিত বনসহ অন্যান্য বনও সংকুচিত হয়ে পড়ছে। অথচ বহুমুখী ব্যবহারের কারণে দিন দিন বাঁশের চাহিদা বাড়ছে। এ জন্য বিগত দশকে বাঁশের দাম অনেক বেড়েছে। বাঁশ থেকে এখন বহু রকমের হস্তজাত শৌখিন শিল্পসামগ্রী তৈরি হচ্ছে, যা বিদেশে রপ্তানির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এবং এ কাজে যদি আমাদের তরুণসমাজকে কাজে লাগাতে পারি তাহলে আমাদের দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। চীন, জাপান, কোরিয়া, প্রভৃতি দেশে বাঁশ কোড়ল সবজি বা খাদ্য হিসেবে রপ্তানির সুযোগ আছে। কাজেই পল্লী বাংলার অবহেলিত এ ফসলটির চাষ ও উন্নয়নে নজর দিলে কর্মস্থান সৃষ্টিসহ গ্রামের মানুষের আয় বাড়বে। বাঁশ চাষের যুক্তি হলো- বাঁশ দ্রুত বাড়ে, লাগানোর ৩ থেকে ৪ বছর পর থেকে তোলা শুরু করা যায়, বাঁশ চাষে পুঁজি ও যত্ন খুব কম লাগে, অনুর্বর মাটিতেও জন্মে, ভূমি ক্ষয় রোধ করে, বাঁশ গাছের সব অংশই কোনো না কোনো কাজে ব্যবহার করা যায়।
বাঁশের প্রকারভেদ : বাংলাদেশে যেসব বাঁশ চাষ করা হয় সেগুলো হলো গ্রামীণ বাঁশ বা ভিলেজ ব্যাম্বু এবং যেসব বাঁশ প্রাকৃতিকভাবে বনে জন্মে সেসব বাঁশ হলো অরণ্য বাঁশ বা ফরেস্ট ব্যাম্বু। বাংলাদেশে এ দুই শ্রেণির বাঁশই আছে। অরণ্যের বাঁশ বনে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে, কেউ তা চাষ করে না। গ্রামীণ বাঁশ কৃষি জমি, বসতবাড়ির আশেপাশে, খাল ও নদীর ধারে প্রভৃতি স্থানে চাষ করা হয়। চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ বাঁশ আসে গ্রামীণ শ্রেণির বাঁশ থেকে, বাকিটা আসে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো জঙ্গল থেকে। এ জন্য সরকার বর্তমানে গ্রামীণ বাঁশ চাষের ওপর জোর দিয়েছে। পল্লী অঞ্চলে চাষ করা হয় বরাক, মিতিঙ্গা, বাড়িয়ালা, তল্লা, টেংরা ইত্যাদি বাঁশ। বনাঞ্চলে জন্মানো অরণ্য বাঁশের মধ্যে ডলু বাঁশ, পিছলা বাঁশ, মাকাল বাঁশ ইত্যাদি। অরণ্য বাঁশের প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও সিলেটের বনাঞ্চল।
বাংলাদেশী বাঁশ সম্পদকে দৈর্ঘ্য ও ব্যাসের ওপর ভিত্তি করে ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে যেমন-
বড় শ্রেণির বাঁশ : বরাক, বুদুম, বাইজ্যা, ফারুয়া, জাতিয়া, টেন্ডু, কাঁটা, সোনালি, পীতাভ চিত্রা, বেথুয়া, মাকলা, বড়ো, রেঙ্গুনি ইত্যাদি।
মধ্যম শ্রেণির বাঁশ : ফারুয়া, তল্লা, বেথুয়া, মিতিঙ্গা, রেঙ্গুনি, টেন্ডু, বোরা, মাকলা, ডলু, পেঁচা, কালা, মুলি, ওড়া, কনকই ইত্যাদি।
ছোট শ্রেণির বাঁশ : টেংরা, লতা, ছই, কনকই, ঘট, কালি, কঞ্চি, মাকলা ইত্যাদি।
মাটি ও জলবায়ু : প্রচুর জৈব পদার্থযুক্ত দো-আঁশ ও পলিমাটি বাঁশের জন্য উপযোগী। তবে এখন বেলে মাটিতেও উত্তর বঙ্গে প্রচুর বাঁশ চাষ করা হচ্ছে। এমনকি অনুর্বর মাটিতে ও এখন বাঁশ জন্মাচ্ছে। বাঁশের জমি যেখানে পানি জমে না এমন উঁচু হওয়া চাই। বাঁশের জন্য মাটির অম্লমান বা পিএইচ ৫ থেকে ৬.৫ এর মধ্যে হলে ভালো হয়। বাঁশ লবণাক্ত মাটি বা লবণ পানির প্রবাহ যুক্ত স্থানে জন্মে না। বাঁশ গ্রীষ্ম প্রধান দেশের ফসল। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বাঁশ চাষের জন্য অনুকূল। বাঁশ গাছ ৭ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার ধকলও বাঁশ গাছ সইতে পারে। বাঁশের জন্য বার্ষিক বৃষ্টিপাতের চাহিদা ১২০০ থেকে ৪০০০ মিলিমিটার। অধিক বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রায় বাঁশের বৃদ্ধি ভালো হয়।
ব্যবহার : বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশের কোড়ল সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। প্রতি বছর এক হেক্টর বাঁশ বাগান থেকে ৩-৩০ টন বাঁশ কোড়ল উৎপন্ন হয়। কোনো কোনো দেশে বাঁশ কোড়ল কুচি কুচি করে কেটে রোদে শুকিয়ে রাখা হয়। পরে তা শিমের বিচির সাথে ডালের মতো রান্না করে খাওয়া হয়। নেপালের আলু তামা এ ধরনের একটি খাদ্য।
প্রাণীদের খাদ্য : বাঁশের কচি কোড়ল শুধু মানুষেরই না, অনেক প্রাণীদের ও প্রিয় খাদ্য। বিশেষ করে চীনে পা-া, নেপালে রেড পা-া ও মাদাগাস্কারে লেমুরের প্রধান খাবার বাঁশ কোড়ল। ইঁদুর বাঁশের ফল খায়।
পানীয় : বর্ষাকালে কচি বাঁশ কোড়ল থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রস বের করে তা গাজিয়ে মদ তৈরি করা হয় যা সুইট ওয়াইন নামে পরিচিত। কখনো কখনো রস না গাঁজিয়ে কোমল পানীয় হিসেবে খাওয়া হয়।
ঔষধ : ঔষধ তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এসব বাঁশের কা- মূল আয়ুর্বেদিক ঔষধ চ্যাবন প্রাশ তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ঠা-া লাগা, সর্দি কাশি ও বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা সারাতে চ্যাবন প্রাশ টনিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
শোভাবর্ধক গাছ : অনেক প্রজাতির গাছ বাগানের শোভা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
কুটিরশিল্প সামগ্রী : বাঁশ বিভিন্ন কুটিরজাত শিল্পসামগ্রী যেমন- তৈজসপত্র, আসবাবপত্র, কারুপণ্য, তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বাঁশ দ্বারা ঝুড়ি, ডালা, কুলা, চালন, ফুলদানি, চাইদানি, চালুন ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
নির্মাণসামগ্রী : কাঠের মতো বাঁশ গৃহনির্মাণে ব্যবহার করা হয়। ঘরের খুঁটি, বেড়া, পাটাতন, দরোজা, বিল্ডিং ঢালাই প্রভৃতি কাজে বাঁশ ব্যবহার করা হয়।
কাগজ : এ দেশে রাঙ্গামাটির কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ থেকে কাগজের ম- তৈরি হয়। প্রাচীনকাল থেকেই চীনে বাঁশের আঁশ থেকে উন্নতমানের কাগজ তৈরি হয়।
অস্ত্র : বাঁশের লাঠি এ দেশে কখনো কখনো অস্ত্র হিসেবে লাঠিয়াল ও পাহারাদাররা ব্যবহার করে। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা এ দেশে এক ঐতিহাসিক দুর্গ ছিল।
চারা তৈরি বা বংশবৃদ্ধির উপায় : বীজ থেকে বাঁশের চারা জন্মালে ও তা থেকে চারা তৈরি করা হয় না। কেননা, বীজের গাছ পরিণত হতে ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগে। পক্ষান্তরে কলম করে বা মোথা লাগিয়ে বাঁশ চাষ করলে সেসব বাঁশ ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে কাটার উপযুক্ত হয়ে যায়। নানাভাবে বাঁশের চারা তৈরি করা যায়। যেমন- মোথা বা রাইজোম কেটে, বাঁশের কা- মূল বা ক্লাম্প কেটে, গিঁট কেটে, বাঁশ কাটিং করে, বীজ দ্বারা।
বীজতলা তৈরি : বাঁশের চারা তৈরির জন্য বীজতলার আকার হতে পারে ১.২ মিটার চাওড়া ও ১২ মিটার লম্বা। বীজতলার চারপাশে খাঁড়া করে এক সারি ইট সাজিয়ে বেষ্টনী দিলে ভালো হয়। বেড বা বীজতলার মধ্যে তিন স্তরে বালু দিয়ে পূরণ করতে হবে। প্রতি স্তরের গুরুত্ব হতে পারে ৭ থেকে ১০ সেন্টিমিটার। প্রথম স্তরে বড় বা মোটা দানার বালু, দ্বিতীয় স্তরে মাঝারি দানার বালু ও উপরে মিহি দানার বালি। সাধারণ বেলে মাটিতেও বীজতলা করা যেতে পারে। চারপাশে নালা রেখে উঁচু বেড করার পর বেডের উপরের বালি বা মাটি সমতল করে দিতে হবে। বীজতলার মাটির সাথে চুলার ছাই মিশিয়ে দেয়া যেতে পারে। ভালো বৃদ্ধির জন্য কিছু জৈবসার বা গোবর দেয়া যেতে পারে। এরূপ বেডে বা বীজতলায় কাটিং লাগানোর পর ঝাঁঝরি দিয়ে নিয়মিত পানি দিয়ে যেতে হবে।
জমি তৈরি ও চারা রোপণ : বসতবাড়ি ও তার আশেপাশে সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিকে বাঁশ লাগানো হয়। বাঁশ চাষের জমি উঁচু হওয়া দরকার যাতে বাঁশ বাগানে পানি জমতে না পারে। বাঁশ বাগান করার জন্য জমি চাষ না দিলেও চলে। তবে ভালো ফলন পাওয়ার জন্য নির্বাচিত জমি চাষ দিয়ে একবার চাষ দিয়ে পরিষ্কার করে নেয়া ভালো। এরপর সে জমিতে ৪ থেকে ৫ মিটার পর পর মাদা তৈরি করে নিতে হবে। মাদার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ হতে পারে ৫০ সেন্টিমিটার ও গভীরতা ২৫ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার। বাঁশের চারা বা কলম লাগানোর দুই সপ্তাহ আগে গোবরসার মাটির সাথে মিশিয়ে গর্তে ভরে রেখে দিতে হবে। এসব গর্তের মাঝখানে একটা করে চারা বা কলম লাগাতে হবে।
সার প্রয়োগ : বাঁশ চাষে সাধারণত কোনো রাসায়নিক সার দেয়া হয় না। প্রতি বছর অন্তত একবার বাঁশ ঝাড়ের গোড়ায় সার ও মাটি তুলে দিতে হবে। সার দেওয়ার সময় বাগানের মাটি হালকা করে কুপিয়ে গোবর সার বা জৈবসার ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। তবে বছরে দু’বার বসন্ত ও শরৎ কালে সার দিতে পারলে সব চেয়ে ভালো হয়। ফাল্গুন মাসে বাঁশ বাগানে ঝরা পাতায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিলে তাও জৈবসারের কাজ করে। এতে বাঁশের অনেক রোগজীবাণু ও পোকামাকড় ধ্বংস হয়। চৈত্র মাসে গাছের গোড়ায় এ সার ও মাটি তুলে দিতে হবে। দ্বিতীয় বার সার দিতে হবে ভাদ্র-আশ্বিন মাসে।
আগাছা ও সেচ ব্যবস্থাপনা : বাঁশ লাগানোর পর এক বছর পর্যন্ত বাঁশ বাগানের আগাছার পরিষ্কার করে দিলে উপকার হয়। বড় হয়ে গেলে সেসব বাঁশ বাগানের আগাছা পরিষ্কার করার দরকার হয় না। চারা বা কলম লাগানোর পর অন্তত এক বার বাঁশ বাগান ভাসিয়ে সেচ দিতে হয়। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচ না দিলে চারা বা নতুন গাছ মরে যেতে পারে। বসতবাড়িতে লাগানো বাঁশ বাগানে সেচ দিলে উপকার হয়, এতে বাঁশ বাড়ে ও বড় হয়। যেসব বাগানে সেচ দেওয়া সম্ভব হয় না সেসব বাগানে বাঁশের গোড়ায় আগাছা তুলে গাদা করে ঢেকে দিতে হবে। এতে মাটির রস শুকানো কমবে।
বালাই ব্যবস্থাপনা : বাঁশ ঝাড়ে বিভিন্ন বালাই তথা রোগ, পোকা ও বিভিন্ন প্রাণীর আক্রমণ হয়। এ দেশে সাধারণত বাঁশ বাগানে কোনো বালাইব্যবস্থাপনা করা হয় না বলে বাঁশের অনেক ক্ষতি হয় ও মান কমে যায়।
বাঁশের রোগ : বাঁশগাছ প্রধানত ছত্রাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। এসব রোগ বাঁশের মোথা, শিকড়, কা-, মূল, কা-, পাতা, ফুল ও ফলে আক্রমণ করে। এমনকি বাঁশ কেটে রেখে দেয়ার পরও তা রোগে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়। এ দেশে বাঁশের যেসব রোগ হয় সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাতায় দাগ রোগ, মরিচা রোগ, ঝুল রোগ, আগা মরা রোগ ও ঝলসা ইত্যাদি।
বাঁশের পোকা : বাঁশের সবচেয়ে ক্ষতিকর পোকা হলো বাঁশের ডগা ছিদ্রকারী পোকা। এরপর রয়েছে পাতা মোড়ানো পোকা। এ দুটি পোকা কখনো কখনো ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাঁশ নষ্ট করে ফেলে। বেশ কয়েক রকমের ডগা ও কা- ছিদ্রকারী পোকা বাঁশগাছে আক্রমণ করে। এসব পোকারা সাধারণত বর্ষাকালে তরুণ বাঁশে বা বাঁশ কোড়লে আক্রমণ করে ছিদ্র ও সুড়ঙ্গ তৈরি করে। কীড়া নরম অংশ সম্পূর্ণ খেয়ে ডগার চরম ক্ষতি করে। ফলে সেসব বাঁশ আর লম্বা হতে পারে না। অনেক সময় আক্রান্ত বাঁশের গিট থেকে অনেক শাখা প্রশাখা বা ছোট ছোট বাঁশের জন্ম দেয়।
বাঁশ কাটা : বাঁশের কচি কোড়ল কাঁচা ও পাকা বাঁশ আহরণ করা হয়। বাঁশের কোড়ল হয় মে থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে। জুলাই-আগস্ট মাসে সব চেয়ে বেশি বাঁশ কোড়ল উৎপান্ন হয়। বাঁশ কোড়ল সংগ্রহ করতে হলে এ সময় করতে হবে। আগাম ও সর্বোচ্চ কোড়ল উৎপাদনের মৌসুমে বাঁশ কোড়ল কাটা বা তোলা ভালো। পরে গজানো বাঁশ কোড়ল না তুলে রেখে দিলে সেগুলো থেকে পরে বাঁশ হবে। বাঁশ কোড়ল কত বয়সে বা কত বড় হলে তুলতে হবে তা নির্ভর করে বাঁশের প্রজাতির ওপরে। তবে সাধারণত কচি কোড়ল খাওয়ার জন্য তোলা হয়। কয়েকটা কোড়ল আঁটি বেঁধে বাজারে বিক্রি করা হয়। এ দেশে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঁশ কোড়ল খাওয়া ও বাজারে বিক্রি করা হয়।
তথ্য সূত্র : বাঁশের পরিচিতি ও এনাটমি, লাহিড়ী অরুণ কুমার, বাংলা একাডেমি, ঢাকা। বাংলাদেশের খাদ্যশস্য ও অর্থকরী ফসল, কুদ্দুস মোঃ আবদুল, বাংলা একাডেমি ঢাকা। বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল, মৃত্যুঞ্জয় রায়।

লেখক : সহকারী তথ্য অফিসার, কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক কার্যালয়, ময়মনসিংহ। মোবাইল : ০১৭১৬৭৮৮৭৫৫,

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন