কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৫:৩০ PM

প্রশ্নোত্তর

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: অগ্রহায়ণ সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৬-১১-২০২৫

প্রশ্নোত্তর

কৃষিবিদ শারমীন আক্তার

নিরাপদ ফসল উৎপাদনের জন্য আপনার ফসলের ক্ষতিকারক পোকা ও রোগ দমনে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করুন।
জনাব মো. বিল্লাল হোসেন, উপজেলা : মিঠাপুকুর, জেলা : রংপুর
প্রশ্ন : সূর্যমুখীর সার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চাই।
সমাধান: সূর্যমুখীতে নিম্নরূপ পরিমাণে সার ব্যবহার করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়-
বরিক এসিড ও ম্যাগনেশিয়াম সালফেট রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও রাজশাহী এলাকার জন্য প্রয়োজন।

উল্লেখিত সার অর্ধেক ইউরিয়া এবং বাকি সব সার শেষ চাষের সময় জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া ২ ভাগ করে প্রথম ভাগ চারা গজানোর           ২০-২৫ দিন পর এবং দ্বিতীয় ভাগ ৪০-৪৫ দিন পর ফুল ফোটার আগে প্রয়োগ করতে হবে।
জনাব জালাল উদ্দিন, উপজেলা : কুমারখালী, জেলা : কুষ্টিয়া
প্রশ্ন : পানের পাতায় বিক্ষিপ্তভাবে ছোট ছোট শুষ্ক দাগ দেখা যাচ্ছে। প্রতিকার কী?
উত্তর : এটি পানের পাতার দাগ রোগ। এক ধরনের ছত্রাকের আক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। এ রোগের আক্রমণে পাতায় বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন দাগ দেখা যায়। দাগের মাঝখানে ঝলসানোর মতো মনে হয় ও কিছুটা শুষ্ক দেখায়।
প্রতিকার : রোগাক্রান্ত লতা-পাতা পুড়ে ফেলতে হবে। নতুন বাগানের জন্য রোগমুক্ত লতা রোপণ করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে টিল্ট ২৫০ ইসি (প্রোপিকোনাজল গ্রুপ) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
জনাব রোকসানা আক্তার, উপজেলা : নবাবগঞ্জ, জেলা : দিনাজপুর।
প্রশ্ন : গম চাষের সেচ প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে চাই?
উত্তর : মাটির প্রকারভেদে গম আবাদে ২-৩টি সেচের প্রয়োজন হয়। প্রথম সেচ চারার তিন পাতার সময় (বপনের ১৭-২১ দিন পর), দ্বিতীয় সেচ শীষ বের হওয়ার সময় (বপনের ৫৫-৬০ দিন পর), তৃতীয় সেচ দানা গঠনের সময় (বপনের ৭৫-৮০ দিন পর) দিতে হবে। তবে মাটির প্রকারভেদে ও শুষ্ক           আবহাওয়ায় ভালো ফলনের জন্য অতিরিক্ত এক বা একাধিক সেচ দেয়া ভালো। প্রথম সেচটি খুব হালকাভাবে দিতে হবে। তা না হলে অতিরিক্ত পানিতে চারার পাতা হলুদ এবং চারা সম্পূর্ণ বা আংশিক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেচের পর পরই জমি হতে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে হবে। তাই বপনের পর জমির ঢাল বুঝে ২০-২৫ ফুট অন্তর নালা কেটে রাখতে হয়।
জনাব জামালউদ্দিন, উপজেলা : মান্দা, জেলা : নওগাঁ
প্রশ্ন : আমার টমেটো গাছের পাতা, কচি ডগা ও কা-ের রস এক ধরনের পোকা শুষে নিচ্ছে। করণীয় কী?
সমাধান : টমেটো জাবপোকার আক্রমণে এমনটি হয়ে থাকে। এই পোকার আক্রমণ দেখা দিলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক এডমায়ার অথবা টিডো (৭-১০ মিলি হারে) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে। তামাকের গুঁড়া (১০ গ্রাম) ও সাবানের গুঁড়া (৫ গ্রাম) প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। ক্ষেত সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ক্ষেতে হলুদ স্টিকার ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। কীটনাশক ব্যবহারের ১২ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাওয়া ও বাজারে বিক্রি করা যাবে না।

লেখক : তথ্য অফিসার (কৃষি), কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫। মোবাইল : ০১৯১৬৭৪১১৯৩; 

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন