কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০২:৪৬ PM

নিরাপদ সবজি উৎপাদন

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: ফাল্গুন সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৫-০২-২০২৬

নিরাপদ সবজি উৎপাদন
সায়মা তাহসীন নীরা১ মুশফিকা নাজনীন২ ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম৩
সুস্বাস্থ্য মানে শুধু রোগমুক্ত থাকা নয় বরং শরীর ও মনের পূর্ণ বিকাশ এবং কর্মক্ষমতা বজায় রাখাও এর অন্তর্ভুক্ত। এর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্য যার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ভিটামিন ও মিনারেল। এই দুুটি উপাদানের উৎস হিসেবে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাকসবজি রাখা ভীষণ জরুরি। কিন্তু এই পুষ্টিকর খাদ্যটি যদি বিষাক্ত হয়ে যায় তখন এটি আমাদের জন্য হুমকিস্বরুপ। অধিক ফলনের আশায় মাত্রাতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এর ফলে মানুষের শরীরে ঢুকে পড়ছে বিষাক্ত পদার্থ, যা দীর্ঘমেয়াদী ক্যান্সার, কিডনি জটিলতা, হরমোন ভারসাম্যহীনতা, ¯œায়বিক সমস্যা ও শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে নিরাপদ উপায়ে সবজি চাষ।
নিরাপদ সবজি উৎপাদনের গুরুত্ব
অধিক রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার মাটি, পানি ও বায়ুর ভারসাম্য নষ্ট করে যা পরিবেশ নষ্ট করার পাশাপাশি জমির উর্বরতা নষ্ট করে। কীটনাশক ও রাসায়নিক সারযুক্ত সবজি খাওয়ার ফলে মানবদেহে বিভিন্ন জটিল রোগ দেখা দেয়। নিরাপদ চাষ পদ্ধতি দীর্ঘ মেয়াদে কৃষি জমির উর্বরতা বজায় রাখে এবং কৃষকদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়। নিরাপদ ও জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।
নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উপায়সমূহ
জৈব কৃষি হলো এমন এক ধরনের কৃষি পদ্ধতি যেখানে কোনো ধরনের রাসায়নিক সার বা বালাইনাশক ব্যবহার না করে জৈবসার প্রাকৃতিক উৎস ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ: গবাদি পশুর গোবর, কম্পোস্ট, ভার্মিকম্পোস্ট, সবুজ সার বায়োফার্টিলাইজার ইত্যাদি। ধৈঞ্চা, শন, মটরশুঁটি, মাষকলাই, শিম, অড়হর অন্যান্য শিমজাতীয় উদ্ভিদ রোপণ করে সেগুলো পরিপক্ব হওয়ার আগেই জমিতে চাষ দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সবুজ সার ব্যবহারের ফলে মাটিতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং রাসায়নিক সারের প্রয়োজনীয়তা কমায়। দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এ কাউপি বা গো-মটর দিয়ে সবুজ সার করার সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল। সবুজ সারের পাশাপাশি বায়োফার্টিলাইজার এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ধরনের বায়ো ফার্টিলাইজার আলাদা আলাদা ফসলের জন্য এবং ধরন অনুযায়ী মাটিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া ডালজাতীয় ফসলের জন্য বায়োফার্টিলাইজার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বাতাসের নাইট্রোজেন আবদ্ধ করে এবং গাছকে সরবরাহ করে। এগুলো জীবাণুসার হিসেবেও পরিচিত। বায়োফার্টিলাইজারগুলো নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, যা উদ্ভেিদর বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
ফসলের সঠিক ঘনত্ব ও আবর্তন
ফসলের আবর্তন বা ঈৎড়ঢ় ৎড়ঃধঃরড়হ এর মাধ্যমে একই ফসল বারবার উৎপাদন না করে বিভিন্ন ধরনের সবজি পর্যায়ক্রমে উৎপাদন করলে মাটির পুষ্টি উপাদান সংরক্ষিত থাকে এবং রোগপোকার আক্রমণ কমে। ডাল ফসলে অল্প পরিমাণ নাইট্রোজেন এবং বেশি পরিমাণে ফসফরাস প্রয়োজন। বিপরীতে শস্যজাতীয় ফসলে নাইট্রোজেনের প্রয়োজন ফসফরাসের চেয়ে বেশি। তাই ডাল ফসলের পর খাদ্যশস্য চাষ করতে হবে। যেসব ফসলে অধিক সার প্রয়োজন হয় সেসব ফসল চাষের পর অপেক্ষাকৃত কম সারের চাহিদা আছে এমন ফসল লাগাতে হয়। একই জমিতে ফসল চক্র অনুসরণ করে ভিন্ন ফসল লাগালে রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো যায়। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চারা রোপন করলে গাছগুলো পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পায় এবং রোগ কম হয়।
সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (ওচগ)
পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায় সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যা ওচগ নামেও পরিচিত। উপকারী পোকা ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহার যেমন: ট্রাইকোগ্রামা, লেডি বার্ড বিটল, মাকড়সা, ট্রাইকোর্ডামা, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি পোকা দমনে যথেষ্ট সাহায্য করে। বালাইসহনশীল জাতের চাষাবাদ ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ অনেকাংশে রোধ করতে পারে এ ছাড়া ও সুস্থ বীজ, সঠিক দূরত্বে রোপণ, সবল চারা, সুষম সার, আগাছা মুক্ত জমি, সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা, সারিতে রোপন ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি গ্রহণে অধিক ফলন পাওয়া যায়। বিভিন্ন যান্ত্রিক দমন পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় যেমন- হাতজালের সাহায্যে পোকা ধরা, পাখি বসার জন্য ডাল পোতা, হাত দিয়ে পোকার ডিম সংগ্রহ করে ধ্বংস করা। বিভিন্ন সবজি ফসল বিশেষ করে কুমড়োজাতীয় ফসলের মাছি পোকা দমন করতে ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ব্যবহার করা হয় পুরুষ মাছি পোকাকে আকৃষ্ট করে মেরে ফেলার জন্য। জমিতে প্রতি ১২-১৫ মিটার দূরত্বে বর্গাকারে ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে হবে। প্রতি ৩ শতাংশ জমির জন্য ১টি ফাঁদ ব্যবহার করতে হয়। সাধারণত গাছে ফুল আসার সাথে সাথেই ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে হয়।
জৈব কীটনাশক ব্যবহার : প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি রসুন, নিম, তুলসী ইত্যাদি থেকে তৈরি জৈব কীটনাশক স্প্রে ব্যবহার করে পোকা দমন করা যায়। বায়োফার্টিলাইজার ও বালাই দমনে বায়োএজেন্টগুলো ব্যবহার করতে হবে। সাধারণভাবে জৈব কীটনাশক অজৈব কীটনাশকের চেয়ে কম বিষাক্ত ও পরিবেশবান্ধব। বালাইনাশকের প্রতি পোকার প্রতিরোধ ক্ষমতা রোধকল্পে জৈব বালাইনাশক পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করা প্রয়োজন। ফসলের আন্তঃপরিচর্যায় ব্যবহৃত সামগ্রী জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে যাতে রোগবালাই এর বিস্তার কমানো যায়। শাকসবজি সংগ্রহের পর তা জীবাণুমুক্ত পানি দ্বারা পরষ্কিার করে দ্রুত বাজার জাত করতে হবে।
গ্রীনহাউজে চাষাবাদ
গ্রীনহাউজে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। এর ফলে মৌসুমি সীমাবদ্ধতা ছাড়াই সারা বছর সবজি উৎপাদন সম্ভব হয়। বিশেষত শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লেটুস ইত্যাদি গ্রিনহাউজে চাষে ব্যাপক জনপ্রিয়।
হাইড্রোপনিক্স ও অ্যারোপনিক্স
এই পদ্ধতিতে মাটি ব্যবহার করতে হয় না, উদ্ভিদের শিকড় সরাসরি পানিতে দ্রবীভূত পুষ্টি গ্রহণ করে। ছাদের ওপর বা শহরে সীমিত জায়গায় এভাবে নিরাপদ সবজি উৎপাদন সম্ভব।
ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ
বর্ষাকালে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে জমি পানিতে ডুবে থাকাকালীন সময়ে কৃষকরা ভাসমান বেডে চাষাবাদ করতে পারেন। কচুরিপানা ধানের খড়, পাটকাঠি, আগাছা ইত্যাদি দিয়ে ভাসমান বেড প্রস্তুত করা হয়। ভাসমান বেডে সহজেই লাউ, শসা, ঢেঁড়স, লালশাক, পালংশাক, কচু, বেগুন ও মরিচ ইত্যাদি শাকসবজি চাষ করা যায়।
সর্জান চাষ পদ্ধতি
এটি মূলত ভাসমান কৃষির একটি উন্নত ধাপ, যেখানে জমির একটি অংশ কেটে মাটি ফেলে উঁচু করে বেড বানানো হয়। এসব উচু জায়গায় টমেটো, মরিচ, ঢেঁড়স, কুমড়া, শসা, লাউ ইত্যাদি চাষ করা যায়। উঁচু জমির পাশে জমি খুঁড়ে নিচু রাখা হয়। এখানে পানি জমে থাকে, যা মাছ চাষ বা ধান চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফলে একই জমি থেকে একসাথে সবজি, ধান ও মাছ পাওয়া যায়।
উত্তম কৃষি চর্চা পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন
অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের ফলে প্রতি বছর বিশে^ বহু মানুষ জটিল রোগে ভুগছে কারণ খাদ্যের দূষণ দ্বারাই মানুষ দ্রুত আক্রান্ত হয়। তাই নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক উপায়ে পরিবহন নিশ্চিত করা জরুরি। উত্তম কৃষি চর্চার (এঅচ) মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব চাষ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্ভব। উত্তম কৃষি চর্চার (এঅচ) মূলত একটি স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। (এঅচ) প্রোটোকল বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ করতে হবে যেমন: খামারের বিবরনসহ ম্যাপ, ঝুঁকি বিশ্লেষণ, মাটি ও পানি অবস্থা, কর্মীর স্বাস্থবিধি, পরিবেশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ প্রতিটি ফসল উৎপাদনের যাবতীয় তথ্য উল্লেখ থাকবে। রোগ ও পোকার নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়ে থাকলে সংগ্রহ পূর্ব বিরতি এর তথ্য রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পানিবাহিত রোগজীবাণুর বিস্তার রোধে ফসল উৎপাদনের জন্য পরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হবে । ফসল সংগ্রহের পরও পরিষ্কার পানি দ¦ারা ধৌত করে প্যাকিং করতে হবে। সকল প্রকার কাজ যেমন: মাঠ পরিচর্যা, ফসল সংগ্রহ, ফসল বাছাইকরণ, ফসল প্যাকিং ইত্যাদি সকল কাজের আগে মাঠ কর্মীদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মানতে হবে। ফসল উৎপাদনের সকল প্রকার তথ্যাদি নিয়মিত প্রতিদিন লিখিত আকারে থাকবে। শুধু ফসল উৎপাদনে সাবধানতা অবলম্বন করলেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ সম্ভব নয়। ফসল সংগ্রহকরণ এবং পরবর্তী কালে ব্যবস্থাপনার সময় কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি হলে ফসলের মান নষ্ট হয়ে যায়। বিগত ১০ বছরে ফসল সংগ্রহোত্তর ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫০০০০ কোটি টাকা। তথ্যসূত্র বাংলাদেশে সবজি সংগ্রোত্তর ক্ষতির পরিমাণ ২৫-৪০%। সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আমাদের খাদ্য ঘাটতির পরিমাণ কমে খাদ্য উদ্বৃত্ত হবে এবং কৃষকের আয় প্রায় ১৯% বৃদ্ধি পাবে যা একমাত্র উত্তম কৃষি পদ্ধতি অনুযায়ী ফসল উৎপাদনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন সম্ভব। সাধারণ কৃষি কাকৃষকরা হাত দিয়ে ফসল উত্তোলনের সময় প্রায়শই গাছে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং রোগজীবাণুর অনুপ্রবেশ ঘটে। অন্যদিকে উত্তম কৃষি চর্চায় সিকেচার দ্বারা ফসল সংগ্রহ করায় গাছের কোন ক্ষতি হয় না। শাকসবজি সংগ্রহের পরপর বরফমিশ্রিত ঠা-া পানি দ্বারা ধৌত করলে শ^সন প্রক্রিয়ায় হার কমে গিয়ে সতেজ দেখায়। প্রচলিত চটের ব্যাগের পরিবর্তে প্লাস্টিক ক্রেটে পণ্য পরিবহন করলে ফসল নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়। সঠিকভাবে এঅচ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানসম্পন্ন ঝুঁকিমুক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব; কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ কমে যায়; ভোক্তার আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে; টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সম্ভব হবে; পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সম্ভব হবে।
নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সবজি উৎপাদনে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের পরিমিত ব্যবহার এবং জৈবসার ব্যবহারের ফলে পরিবেশগত ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে কৃষকের খরচ কমাবে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যে আমাদের দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষা পাবে বিভিন্ন জটিল রোগবালাই থেকে। পাশাপাশি বৈদেশিক বাজারে আমাদের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে।

লেখক : ১-২বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ৩প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা,উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর-১৭০১। মোবাইল : ০১৩১৪৪৯৫৭৭০

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন