কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০১৫ এ ০৬:১১ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: শ্রাবণ সাল: ১৪২২ প্রকাশের তারিখ: ০২-০৮-২০১৫
ফল আমাদের মৌলিক চাহিদা খাদ্যের একটি বড় অংশ পূরণ করে, তাছাড়া ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন। ঔষধি গুণাবলি থাকায় ফল প্রকৃতপক্ষে আমাদের স্বাস্থ্য-পুষ্টি রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফল তথা ফল বৃক্ষ আমাদের দৈনন্দিন পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় জীবনে অসীম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আবহমানকাল থেকেই ফল ও ফলদ বৃক্ষ পশুপাখি ও মানুষের পরম বন্ধু। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ অন্যান্য ফলদ বৃক্ষ শুধু নৈসর্গিক শোভাই বৃদ্ধি করে না; বরং ক্ষুধা নিবারণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থ পুষ্টি সরবরাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানবজাতির অস্তিত্বের কারণেই অন্যান্য বৃক্ষের পাশাপাশি ফলদ বৃক্ষ রোপণ ও এর যথাযথ পরিচর্যা একান্তভাবে প্রয়োজন।
বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু ফল চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আমাদের রয়েছে ১৩০টিরও বেশি ঐতিহ্যবাহী দেশীয় ফল। এসব দেশি ফলে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের পরিমাণ বিদেশি ফলের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়, যা থেকে আমরা সহজেই দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ করতে পারি। দেশের উত্তরাঞ্চলের মতো অন্যান্য অঞ্চলেও আম, লিচুসহ অন্যান্য ফল চাষ করে আমরা অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করতে পারি।
মানুষের খাদ্য পুষ্টি ও জীবনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অক্সিজেন সরবরাহ ছাড়াও ফল গাছ পশুপাখির খাবার ও আশ্রয়স্থল, ছায়া প্রদান, কাঠ, জ্বালানি, আসবাবপত্র, যানবাহন, কুটিরশিল্প, রোগের ওষুধ ও পথ্য প্রদান করে। এছাড়াও ফল ব্যবসায় পারিবারিক আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষাসহ সার্বিক পরিবেশ সংরক্ষণে দারুণভাবে সহায়তা করে।
আমাদের প্রধান খাদ্য চাল, যাতে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু পুষ্টির জন্য ফলমূলের চাহিদা এখনও রয়েছে। যদিও বাংলাদেশে এখন প্রচুর পরিমাণে ফল উৎপাদিত হচ্ছে। দেশীয় ফল বেশি করে উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করে প্রচুর পমিাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। তাই এ বছর ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষ উৎযাপন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, তার জন্য কৃষি তথ্য সার্ভিস ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষের মূল প্রতিপাদ্য হলো দিন বদলের বাংলাদেশ, ফল বৃক্ষে ভরবো বাংলাদেশ। এ প্রতিপাদ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, সময়োপযোগী ও যথাযথ হয়েছে। এ ধরনের সচেতনতামূলক বৃক্ষ রোপণ বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা অব্যাহত রাখলে নতুন প্রজন্ম তথা ছাত্রছাত্রীদের বৈচিত্র্যময় ফল সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা প্রদানসহ তাদের ফলদ বৃক্ষ রোপণে প্রচ-ভাবে উৎসাহিত করবে।
কত রকমের ফল যে এদেশে জন্মে তার কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা না থাকলেও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলেন ১০০, কেউ কেউ বলে ২৫০ প্রকার দেশি ফল বাংলাদেশে রয়েছে। নিম্নে কিছু দেশি ফলের নাম উল্লেখ করা হলো-
অতি পরিচিত ফল : আম, জাম, ক্ষুদেজাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, ডালিম, জামরুল, কুল, আনারস, আমড়া, কামরাঙা, জলপাই, কলা, পেঁপে, নারিকেল, তাল, খেজুর, বেল, কদবেল, সফেদা, ডুমুর, তরমুজ, বাঙি।
কম পরিচিত ফল : ডেওয়া, লটকন, সাতকরা, পানিফল, আতা, আতা, শরিফা, আমলকী, বৈঁচি, করমচা, কাউফল, জগডুমুর, ফলসা, গোলাপজাম, আঁশফল, বিলিম্বি, বিলাতিগাব, বেতফল, চালতা
অপরিচিত ফল : তুঁতফল, জামির, প্যাসান, হাসঝুম, তারকাফল, তৈকর, পানকি, চুনকি, অরবরই, পিচফল, চুকুর, লুকলুকি, মাখনা।
বিলুপ্ত ফল : বাংলাদেশের প্রাচীনকালের অনেক ফল হারিয়ে গেছে। এ জাতীয় ফলের মধ্যে রয়েছে টাকিটুকি, মুড়মুড়ি, মনু ইত্যাদি। বিলুপ্তি হওয়ার পথে রয়েছে আরও প্রায় অর্ধশতাধিক ফল।
ফলের প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান বিশেষ করে খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন রয়েছে, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিচে সারণিতে ১১টি দেশীয় কম পরিচিত ফলের পুষ্টি উপাদানের তথ্য দেয়া হলো-
বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য চাল। বর্তমানে চালের ঘাটতি না থাকলেও এখনও পুষ্টি ঘাটতি রয়েছে। ফলে অপুষ্টির কারণে প্রতি বছর অনেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, এমনকি পুর্ষ্টির অভাবে অনেক শিশু অকাল মৃত্যুবরণ করছে। দেশীয় ফলে রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। বেশি বেশি ফল খেলে অপুষ্টি ও রোগ হতে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
নিম্নে পাঁচটি অতি পরিচিত ফলের ঔষধি গুণাবলি সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা দেয়া হলো-
০১. আম : ফলের রাজা আম। এ ফলের পাতা, ফল, আঠা পথ্য হিসেবে কাজ করে। কচি আম পাতার রস বমিভাব দূর করে, মাঢ়ি শক্ত করে, দাঁতের রক্ত পড়া বন্ধ করে। চুলকানিতে আমের আঠা লাগালে ৩ থেকে ৪ দিনের ভেতর সেরে যায়। অকালপক্বতা, নখকুনিতে, পোড়া ঘায়ে, পাঁচড়ায়, উদরাময়ে, বহুমূত্রে, গলাব্যথায় আমের পাতা, কুঁশি, ছাল, শিকড়, ফলের আঁটি অব্যর্থ মহৌষধের মতো কাজ করে।
০২. জাম : কথায় আছে, জাম খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। আসলেই তাই কারণ লৌহ অভাবজনিত রোগে জাম অত্যন্ত উপকারী। রক্ত আমাশয়, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা জ্বালা রোধে, জ্বরে কাশিতে জামের রস মধুর সাথে মিশিয়ে বা সামান্য লবণ দিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। পরিমিত জাম খেলে চেহারার লাবণ্য বাড়ে, চামড়া উজ্জ্বল ও মসৃণ হয়।
০৩. পেঁপে : কথায় আছে, ‘প্রতিদিন পেঁপে খাও, বাড়ি থেকে বদ্যি তাড়াও’। পেঁপে বহুল পরিচিত বহুমুখী ব্যবহারগুণ সম্পন্ন একটি ফল। কাশির সাথে রক্ত যাওয়া, রক্ত অর্শ, মূত্রনালির ক্ষতে, দাঁত ও একজিমা রোগে, কোষ্ঠকাঠিন্য, কৃমি দমনে বেশ ফলদায়ক। শরীরের ঝিমানিভাবে রোধ করে, চামড়া উজ্জ্বল ও মসৃণে পেঁপের গুণাগুণ সুপ্রমাণিত।
০৪. বাতাবিলেবু : দন্তব্যথা, দন্তশূল, মাঢ়ি ফোলা, রক্ত পড়া সমস্যা সমাধানে বাতাবিলেবুর বিকল্প নেই। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, যা দাঁত সম্পর্কীয় রোগ ‘স্কার্ভি’ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাছাড়া পেট ফাঁপা, বুক পেটের ব্যথা, অগ্নিমন্দা উপশমে বাতাবিলেবুর জুড়ি নেই।
০৫. বেল : ধর্মীয় দৃষ্টিতে বেল পবিত্র ফল। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে বেল পাতা ব্যবহার করা হয়। বেল পাতার রস জন্ডিস, আমাশয়, শ্বাসকষ্ট এসবে ভালো ফল দেয়। ডায়রিয়া, সর্দিজ্বর, ক্ষুধামন্দা দূর করতে এবং পাকস্থলী, মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ডের শক্তি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত উপকারী।
ফলের পুষ্টি উপাদান (খাদ্যাপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে)
| ক্রমিক নং | ফলের নাম | জলীয় অংশ (গ্রাম) | খাদ্যশক্তি (কিলোক্যালরি | ক্যালশিয়াম (মি.গ্রাম) | লৌহ (মি.গ্রাম) | ভিটামিন বি-১ (মি.গ্রাম) | ভিটামিন-সি (মি.গ্রাম) |
| ০১ | জলপাই | ৮২.০ | ৭০ | ২২ | ৩.১ | ০.০৩ | ৩৯ |
| ০২ | আমলকী | ৯১.৪ | ১৯ | ৩৪ | ১.২ | ০.০২ | ৪৬৩ |
| ০৩ | তেঁতুল | ৮৩.৬ | ৬২ | ২৪ | - | ০.০১ | ৬ |
| ০৪ | জগডুমুর | ৮৮.১ | ৩৭ | ৮০ | ১.১ | ০.০৬ | ৫ |
| ০৫ | লটকন | - | ৯১ | - | ০.৩ | ০.০৩ | - |
| ০৬ | জামরুল | ৮৯.১ | ৩৯ | ১০ | ০.৫ | ০.০১ | ৩ |
| ০৭ | ডেওয়া | - | ৬৬ | ৫০ | ০.৫ | ০.০২ | ১৩৫ |
| ০৮ | ক্ষুদেজাম | - | ১১ | ২২ | ৪.৩ | ০.০৯ | ৬০ |
| ০৯ | কদবেল | ৮৫.৬ | ৪৯ | ৫৯ | ০.৬ | ০.৮০ | ১৩ |
| ১০ | পানিফল | ৮৪.৯ | ৬৫ | ১০ | ০.৮ | ০.১৮ | ১৫ |
| ১১ | কামরাঙা | ৮৮.৬ | ৫০ | ১১ | ১.২ | ০.১২ | ৬১ |
উল্লিখিত ফলগুলোর ঔষধি গুণাবলি বিশ্লেষণ করলে অনুধাবন করা যায় যে শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ-সবলও নীরোগ রাখতে হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফল যুক্ত করা আবশ্যকীয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘দিন বদলের বাংলাদেশ, ফল বৃক্ষে ভরবো দেশ’ সেহেতু ফল চাষ বৃদ্ধির জন্য বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিম্নবর্ণিত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- কৃষিবিদদের মাধ্যমে ফলচাষি-কৃষকদের ফল চাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
- সরকারি প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের কলম-চারা উৎপাদন করে স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
- সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ফল বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে করে তারা অন্যদের ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ দিতে পারেন।
- কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে নতুন নতুন ফলের জাত উদ্ভাবন করার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
- বাংলাদেশের আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতে পারে এমন ফলের চারা বিদেশ থেকে সংগ্রহ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ফলচাষিদের সরবরাহ করতে হবে।
- হর্টিকালচার সেন্টারসমূহে উন্নত জাতের ফলের মাতৃবাগান সৃষ্টি করতে হবে, যাতে করে সহজেই ভালো জাতের সায়ন সংগ্রহ করা যায়।
- বেসরকারি নার্সারি মালিকদের সহজ শর্তে স্বল্পসুদে কৃষি ঋণ প্রদান করতে হবে।
- দিন দিন আবাদি জমি কমে যাওয়ায় পাহাড়ি এলাকায় ফল বাগান সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।
- ফরমালিনবিহীন ফল বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সরকারকে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
* সর্বোপরি সর্বস্তরের জনগণকে বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী, কৃষক-কৃষাণীদের বাড়ির আঙিনায় ফল গাছ রোপণ উৎসাহিত করতে সচেতনতামূলক লাগসই কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
উপসংহার
আমাদের প্রতিদিন ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা পাই ৪০ থেকে ৪৫ গ্রাম। ফলে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন রয়েছে যা আমাদের স্বাস্থ্য-পুষ্টিতে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে। কিন্তু পরিমিত ফল গ্রহণ না করায় আমাদের পুষ্টি সমস্যা রয়েইে যায়। তাই সবার শরীর নিরোগ রাখতে দৈনিক পরিমিত পরিমাণ ফল খাওয়া প্রয়োজন। পরিমিত ফল খেতে হলে শুধু ফল বাজারেরর ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। কারণ বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বাজারে যেসব ফল পাওয়া যায় তা অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কার্বাইড বা ইথনল দ্বারা পাকানো এবং তার অধিকাংশই ফরমালিন মিশ্রিত। যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই প্রত্যেকেই প্রতি বছর নিজ নিজ বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন দেশীয় ফলদ বৃক্ষ এবং ঔষধিগুণ সম্পন্ন ফলগাছ বেশি করে রোপণ করতে হবে। সেই সাথে যেসব ফল বিলুপ্তির পথে বাংলাদেশের ফলের ঐতিহ্য রক্ষার্থে অবশ্যই বিলুপ্তিপ্রায় ফল গাছ রোপণ করে তাদের বংশ রক্ষা করতে হবে। তাছাড়া ফলের বাগান সৃষ্টি করে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান করা যায়। বর্তমানে অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফল বাগান করে তুলনামূলকভাবে আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে মেহেরপুর, ঈশ্বরদী, রাজশাহী, যশোর অঞ্চলে আম, কাঁঠাল, লিচুর প্রচুর পরিমাণ বাগান সৃষ্টি হচ্ছে যা আমাদের ফলের চাহিদা পূরণে সহায়ক হচ্ছে।
এখন জুন মাস। ফলদ বৃক্ষ রোপণের এখনই উপযুক্ত সময়। আসুন আমরা সবাই মিলে অঙ্গীকার করি প্রত্যেকের বাড়িতে পাঁচটি করে ফলের গাছ রোপণ করব, বর্তমান প্রতিকূল ও বৈরী অবস্থায় নিজে বাঁচব, অন্যকে বাঁচাতে সাহায্য করব। ফলে ফলে ভরে উঠুক বাংলাদেশ, এ হোক আমাদের অঙ্গীকার।
কাদির হাসান*