কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩ এ ০৩:৫৯ PM

কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে ‘উত্তম কৃষি চর্চা

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: ভাদ্র সাল: ১৪৩০ প্রকাশের তারিখ: ২১-০৮-২০২৩

কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে ‘উত্তম কৃষি চর্চা
ডঃ মনসুর আলম খান
বাংলাদেশে বিগত দিনে কৃষি খাতে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ধান, ভুট্টা, আলু, সবজি, ফল, মাছ, গরু, ছাগল ইত্যাদি কৃষি পণ্য উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যারা একসময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছে, তারাই এখন বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হচ্ছে’। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরের লক্ষ্য কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করা। আর এই লক্ষ্য অর্জনের পথে আগামী দু’দশক বাংলাদেশের কৃষি খাত দ্রুত গতির রূপান্তরধর্মী এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে। পরিবর্তনের কেন্দ্রে থাকবে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’।
কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ‘উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা-২০২০’ এর বর্ণনা মতে ‘এটি একগুচ্ছ নীতি-বিধি ও প্রযুক্তিগত সুপারিশমালা যা সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন,  প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহনের বিভিন্ন স্তরে প্রয়োগ করা হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, পণ্যের মান উন্নয়ন ও কাজের পরিবেশ উন্নত করে’।
কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই ধারণার আর্বিভাব খুব বেশি দিন আগের নয়।  ১৯৯৭ সালে ইউরোপের সুপারশপ এবং প্রধান সরবরাহকারীদের উদ্যোগে সর্বপ্রথম ‘Europe GAP’ নামে ‘উত্তম কৃষি চর্চা’ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৭ সালে উক্ত চর্চার নামকরণ করা হয় Global GAP। উত্তম কৃষি চর্চা বাংলাদেশ প্রবেশ করে ২০১৪ সালের  সেপ্টেম্বর মাসে। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কর্তৃক উদ্যান ফসল, সবজি ও ফলের জন্য একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার মধ্য দিয়ে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে ‘বাংলাদেশে উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা-২০২০’। উক্ত নীতিমালার অধীনে মে ২০২৩ এ গৃহীত হয়েছে ‘বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চার মানদ- (Standards of Bangladesh Good Agricultural Practices)। বাংলাদেশে GAP বাস্তবায়নের জন্য মোট ২৪৬টি বাধ্যতামূলক উত্তম চর্চা সম্বলিত ১) নিরাপদ খাদ্য মডিউল; ২) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা মডিউল; ৩) কর্মীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ মডিউল; ৪) পণ্যমান মডিউল এবং ৫) সাধারণ প্রয়োজনীয়তা মডিউল শীর্ষক মোট পাঁচটি মডিউল প্রস্তুত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে উক্ত চর্চাসমূহ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে উত্তম কৃষি চর্চার চারটি মূল স্তম্ভ খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ, অর্থনীতি ও সামাজিক সুরক্ষা সুসংহত হবে। মানদ- নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কে পরিকল্প স্বত্বাধিকারী (স্কিমওনার) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিইএ) কে সার্টিফিকেশন বডি Bangladesa Agricultural Certification Bodz (BACB)  হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাছাড়া, ISO17011 মানদ-ে পরিচালিত এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রিডিশন ফোরাম IAF এর আওতাধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড (BAB) থেকে BACB এর সার্টিফিকেট গ্রহণের কার্যক্রম চলমান আছে।
দেশে দেশে উত্তম কৃষি চর্চা অনুশীলনের সম্মতির মানদ-ের  কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। কোন দেশ তাঁদের নিজেদের আর্থসামাজিক, কৃষ্টি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মোতাবেক সম্মতির মানদ- নির্ধারণ করে থাকে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান অথবা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশের জন্য কৃষি ব্যবস্থাপনার যে মানদ- বাংলাদেশের জন্য সেই একই মানদ- বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।  (Bangladesh GAP) মোতাবেক বর্তমানে বাংলাদেশে ২৪৬টি উত্তম চর্চাকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে। আবার বর্তমানে প্রযোজ্য এমন অনেক মানদ- ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য না হবার সম্ভাবনাই বেশি। গুরুত্বের দিক থেকে অনুশীলন ও নিয়ন্ত্রণের সূচকসমূহকে তিনটি শ্রেণীতে বিন্যস্ত করা হয়েছে, ১) অতি গুরুত্বপূর্ণ (গধলড়ৎ গঁংঃ) চর্চা; যা শতভাগ (১০০%) মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা অনুসরণ না করা হলে খাদ্য ও পণ্যের মান ও বৈশিষ্ট্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিধায় এর নিচের কোন মান গ্রহণযোগ্য নয়; ২) গুরুত্বপূর্ণ (গরহড়ৎ গঁংঃ/) চর্চা; এসব চর্চা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা শতকরা নব্বই ভাগ (৯০%); এবং ৩) সাধারণ (এবহবৎধষ) চর্চা; গুরুত্বের দিক থেকে এসব চর্চা সাধারণ মানের, শতকরা পঞ্চাশ ভাগ (৫০%) মেনে চললেই সম্মতি দেয়া হবে।
বাংলাদেশে কার্যকর ২৪৬টি উত্তম কৃষি চর্চার মানদ-ের মাঝে ‘পণ্য শনাক্তকরণ ও গতিবিধি (ঞৎধপবধনরষরঃু ধহফ ৎবপধষষ)’ অনেকটা রবি ঠাকুরের ‘তুমি কোন কাননের ফুল, কোন গগনের তারা’ গানের উত্তর খোঁজার মতো। কোন কারণে কোন পণ্যে খারাপ কিছু পাওয়া গেলে তা গোড়ায় সমাধান করা এবং সরবরাহ শিকলের কোন পর্যায়ে ক্ষতিকর কিছু গোচরে এলে ভোক্তাকে তাৎক্ষণিক জানিয়ে দেয়া শতভাগ বাধ্যতামূলক করণীয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বহুমুখী প্রচেষ্টায় এ বছর আম রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমের এই বাজার মূলত প্রবাসী বাঙ্গালি কেন্দ্রিক, মূলধারার সুপারশপে প্রবেশ করতে হলে ঞৎধপবধনরষরঃু থাকা আবশ্যক। সরকার ইধহমষধফবংয এঅচ আওতায় সন্ধানযোগ্যতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।  
‘রোপণ সামগ্রী (চষধহঃরহম সধঃবৎরধষং)’ উত্তম কৃষি চর্চার একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ মানদ-। বীজ ও চারা হতে হবে নিখুঁত ও জীবাণুমুক্ত, বপন কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি হতে হবে জীবাণুমুক্ত, নার্সারি হবে নিবন্ধিত। বীজ কোম্পানির নাম, সীলমোহরসহ বীজ বপনের প্রতিটি পর্যায়ের তারিখ ও অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে যথাযথভাবে। ‘বেশি সারে বেশি ফসল’ এমন ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে এসে কৃষককে বিজ্ঞানভিত্তিক সার প্রয়োগে অভ্যস্ত হতে হবে। জমিতে সার ও মাটি উর্বরকারি পদার্থ (ঋবৎঃরষরুবৎং ধহফ ংড়রষ ধফফরঃরাবং) প্রয়োগ করতে হবে উৎপাদিত ফসলের ধরণ ও মাটির ঘাটতি বিবেচনায় নিয়ে। সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অথবা কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োগকৃত পদার্থে ক্ষতিকর কোন উপাদান পাওয়া গেলে তা অপসারণের বাধ্যবাধকতা শতভাগ (অতি গুরুত্বপূর্ণ)।  
বাংলাদেশে সবুজ বিপ্লবের অন্যতম উপকরণ সেচ। ইধহমষধফবংয এঅচ মোতাবেক জমিতে সেচ এবং উৎপাদিত ফসল পরিষ্কার করা কাজে ব্যবহৃত পানি হতে হবে ক্ষতিকর উপাদান মুক্ত ও বিশুদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া সালমোনেলার উপস্থিতির কারণে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ২৬ মে পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পান রপ্তানি বন্ধ ছিল। কারণ হিসেবে ইউরোপ থেকে জানানো হলো বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত কোন এক চালানের ফাইটোস্যানিটারি পরীক্ষায় তারা সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। উক্ত সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার মূলত মানুষের পয়ঃবর্জ্যে বাস করে। পানের মত একই অবস্থা হয়েছিল রাশিয়ায় আলু রপ্তানিতে। ফাইটোস্যানিটারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে রাশিয়াতে আলু রপ্তানি বন্ধ ছিল প্রায় ছয় বছর, যা মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ বছরই নতুন করে আবার চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে ফাইটোস্যানিটারি সনদ ছাড়া কোন পণ্য রপ্তানির উদ্দেশ্যে জাহাজীকরণ করা হবে না। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়             কৃষি মন্ত্রণালয় ঢাকার পূর্বাচলে দুই একর জমিতে স্থাপন করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাক্রিডিটেড পরীক্ষাগার।  
ফসলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার (ঐধৎাবংঃরহম ধহফ যধহফষরহম ঢ়ৎড়ফঁপব) ক্ষেত্রে উত্তম কৃষি চর্চার নীতিতে উৎপাদিত ফসল সরাসরি মাটিতে অথবা মেঝেতে রাখা যাবে না। ফসল কর্তন যন্ত্রপাতি, কন্টিনার, গোদাম, পরিবহন ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা হতে হবে অনুমোদিত নীতিমালা মেনে। উৎপাদিত ফসল রাখতে হবে পশু-পাখি, কীটপতঙ্গ থেকে নিরাপদ দূরে। ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত সকল স্তরে নিয়োজিত কৃষক-কৃষাণি এবং শ্রমিকের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি (চবৎংড়হধষ যুমরবহব) নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান ও অনুশীলন নিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের জন্য থাকতে হবে পর্যাপ্ত জীবাণুনাশক সুরক্ষাসামগ্রী।
জিএমও (এবহবঃরপধষষু গড়ফরভরবফ ঙৎমধহরংসং) বা জিএম ফুড (এগ ঋড়ড়ফ) সংক্রান্ত এফএও এর সব ক’টি নির্দেশনাই অতি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের অনুমতি ব্যতিরেকে কোন কৃষক জিএম ফসল ফলাতে পারবেন না, এমন কি অন্য ফসলের সাথে মেশাতেও পারবে না, এটা যে জিএম ফুড সেটা ভোক্তাকে নিশ্চিতভাবে জানাতে হবে, ফসলের গায়ে থাকতে হবে বিশেষ লেভেল। ঋঅঙ এর মতে, ‘এগ পৎড়ঢ়ং ংযধষষ নব ংঃড়ৎবফ ংবঢ়ধৎধঃবষু ভৎড়স ড়ঃযবৎ পৎড়ঢ়ং...... ঞযব ঢ়ৎড়ফঁপবৎ ংযধষষ রহভড়ৎস পষরবহঃং ধনড়ঁঃ ঃযব ংঃধঃঁং ড়ভ ঃযব ঢ়ৎড়ফঁপঃ রিঃয ৎবংঢ়বপঃ ঃড় এগঙং.’ বাংলাদেশের বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে একমাত্র জিএম ফুড হলো বিটি বেগুণ। টঝঅওউ এর সহযোগিতায় ২০১৪ সালে ২০ জন             কৃষকের হাতে বিটি বেগুনের (ইঃ নৎরহলধষ) চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জিএম ফুডের যুগে প্রবেশ করে। আমাদের কয় জন কৃষক জানেন যে পোকারোধী বিটি বেগুনের জিনে (এবহব) কৃত্রিমভাবে যুক্ত করা আছে ঈৎং১অপ জিন। উক্ত জিন (ইঋঝই) আবার নেয়া হয়েছে ইধপরষষঁং ঃযঁৎরহমরবহংরং নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে। বাজারে বিটি বেগুন, ফল, সবজি, দুধ  প্রভৃতি খাদ্য বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তা হিসেবে জনগণ খাচ্ছে। কিন্তু এসব খাদ্যে ভেজাল থাকলে পরিশেষে নিরাপদ এবং মানসম্পন্ন খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত কৃষিজাত পণ্য সহজলভ্য করার মাধ্যমে পরিবেশ, অর্থনীতি এবং সামাজিক সুরক্ষা সুসংহত করার ক্ষেত্রে উত্তম কৃষি চর্চা একান্ত জরুরি।
বাংলাদেশের কৃষি ক্রমেই খোরপোশ কৃষি (ঝঁনংরংঃবহপব অমৎরপঁষঃঁৎব) থেকে বাণিজ্যিক কৃষিতে পরিণত হচ্ছে। মাত্র ৮৫-৯০ লাখ হেক্টর আবাদি জমির উপর নির্ভর করছে ১৭ কোটি লোকের খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি। টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা-২০২০’ অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গবেষণা ও সম্প্রসারণ সংস্থাসমূহ যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গাবতলিতে স্থাপন করা হচ্ছে ঠধঢ়ড়ঁৎ ঐবধঃ ঞৎবধঃসবহঃ (ঠঐঞ) প¬ান্ট, যুক্ত করা হচ্ছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সবজি ভ্যান, পিপিপির আওতায় বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্মাণ করা হচ্ছে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাক্টরি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য সরকার থেকে হাওর অঞ্চলে ৭০ ভাগ এবং দেশের অন্য সকল অঞ্চলে দেয়া হচ্ছে ৫০ ভাগ পর্যন্ত ভর্তুকি। উৎপাদন, পরিবহন, প্যাকেজিং, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণের যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে উত্তম কৃষি চর্চা’ অর্জনের পথে বাংলাদেশ এগোচ্ছে সঠিক পথ ধরে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সকল বাধা অতিক্রম করে ‘দাবায়া রাখতে পারবা না’র বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে ‘স্বপ্নের সোনার বাংলা’ অর্জনের অদম্য অভিযাত্রায়।

লেখক : উপসচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, ই-মেইল : monsuralammkhan@gmail.com

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন