কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এ ০৭:০১ PM
কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: আশ্বিন সাল: ১৪৩০ প্রকাশের তারিখ: ১৮-০৯-২০২৩
কবিতা
ক্ষতিকর ইঁদুর
মোঃ মাজেদুল ইসলাম (মিন্টু)
ইঁদুরের বংশ বৃদ্ধি দ্রুত বাড়ে
যেকোন পরিবেশে খাপখাওয়াতে পারে।
জন্ম থেকে যৌবন পায় তিন মাস পর,
তারপর জোড়ায় জোড়ায় বাঁধে তারা ঘর।
গর্ভধারণ হয় প্রসবের পর দুই দিন,
প্রতিবারে বাচ্চা দেয় কমপক্ষে তিন।
ইঁদুরের শ্রবণশক্তি প্রখর যেমন,
ঘ্রাণশক্তি আছে তার প্রকট তেমন।
ইঁদুরের সামনের দাঁত জন্ম থেকে বাড়ে,
কাটাকাটি ছেড়ে তাই থাকতে না পারে।
ইঁদুর ফসল খেয়ে করে দেয় নষ্ট,
তাই তারা প্রাণীকুলে সবচেয়ে দুষ্ট।
খায় যত, নষ্ট করে দশগুণ তার,
প্রাণীকূলে নেই তার কোন উপকার।
ইঁদুর খুব চালাক, নিশাচর সৃষ্টি,
দিনের বেলায় তাদের ক্ষীণ দৃষ্টি।
সব জাতের ইঁদুর সাঁতরাতে পারে,
নেংটি ইঁদুর ঘরের মাঝে ছোটাছুটি করে।
বিদ্যুতের তার কাটে বাঁধ ভেঙে দেয়,
দুরারোগ্য রোগব্যাধি সমাজে ছড়ায়।
গম কাটে, পাট কাটে, কাটে গোলার ধান,
ক্ষেতে কাটে লাউ, কুমড়া দিয়া মন প্রাণ।
রাতে বসে গর্ত করে পানি সেচের খাল,
দিনদুপুরে ঘরে বসে কাটে জেলের জাল।
গ্রাম শহর সবখানে তার সমান বিচরণ,
সর্বলোকে জানে তার কেমন আচরণ।
ইঁদুর মারার উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল,
যখন ডুবে যায় মাঠ, ঘাট আর খাল।
ইঁদুর ক্ষতি করে সর্ব অবস্থায়,
এদের নিধন করি এসো সবাই।
ক্ষতিকর ইঁদুর মেরে করবো শেষ,
সুন্দরভাবে গড়বো সোনার বাংলাদেশ।
লেখকঃউপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার়।উপজেলা কৃষি অফিসারের কাযালয়।ভাঙ্গুড়া পাবনা।মোবাইলঃ০১৭১৭৪৬৬৯৯৮