কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৬:১৭ PM

আলুর বাম্পার ফলন, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়

কন্টেন্ট: কৃষি কথা মাস: অগ্রহায়ণ সাল: ১৪৩২ প্রকাশের তারিখ: ১৬-১১-২০২৫

আলুর বাম্পার ফলন, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় 
ড. মো: কামরুজ্জামান
আলু বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে এটি শুধু অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য হিসেবে নয়, বরং রপ্তানিযোগ্য পণ্য হিসেবেও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারের গৃহীত নানা উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ-যেমন উচ্চফলনশীল আলুর জাত সম্প্রসারণ, উন্নত মানের বীজ ও সার সহজলভ্য করা, কৃষকদের জন্য উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় সরকারি অর্থায়নে সংরক্ষণাগার নির্মাণ আলু উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বিশেষত, গত দুই বছর ধরে আলু চাষে কৃষকেরা ভালো লাভবান হওয়ায় চলতি মৌসুমে অধিক জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। এর ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আলুর উৎপাদন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৫ লাখ মেট্রিক টন, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১০৬.০১২ লাখ মেট্রিক টনের তুলনায় অনেক বেশি। (তথ্যসূত্র : কৃষি ডাইরি ২০২৫) অথচ দেশে বার্ষিক গড় চাহিদা প্রায় ৯০-৯৫ লাখ মেট্রিক টনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে আলুর দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে, কৃষকেরা উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। ফলে অতিরিক্ত উৎপাদন বর্তমানে বাজার ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। 
চ্যালেঞ্জসমুহ
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে বাজারে সরবরাহ অনেক বেড়ে গিয়ে মূল্যহ্রাস, সংরক্ষণের জটিলতা এবং রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা বা চ্যালেঞ্জসমুহ নিম্নরূপভাবে বিশ্লেষণ করা যায় :
অপরিকল্পিত উৎপাদন : বিগত মৌসুমে আলুর উচ্চমূল্য ও লাভজনকতা দেখে       কৃষকগণ ব্যাপকভাবে আলু চাষে উদ্বুদ্ধ হন। ফলস্বরূপ, পরিকল্পনাবিহীন অতিরিক্ত উৎপাদন ঘটে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। এই অতিরিক্ত সরবরাহ বাজারে মূল্য হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যার ফলে কৃষকগণ উৎপাদন খরচও ওঠাতে পারেননি এবং মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
সংরক্ষণ সমস্যা : দেশে হিমাগারের এবং অ-হিমায়িত সংরক্ষণাগারের সম্মিলিত ধারণক্ষমতা প্রায় ৩২ লাখ মেট্রিক টন কিন্তু উৎপাদন বেশি হওয়ায় প্রায় ৮৫ লাখ মেট্রিক টন আলু প্রচলিত পদ্ধতিতে বাইরে রয়েছে, যা দ্রুত পচনশীল হওয়ায় সংরক্ষণে সংকট তৈরি করে।
প্রান্তিক কৃষকদের সীমিত প্রবেশাধিকার : অধিকাংশ প্রান্তিক    কৃষক কোল্ড স্টোরেজ ব্যবহারের খরচ বহন করতে না পারায় উৎপাদনের সময়েই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। এতে তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।
সীমিত রপ্তানি বাজার : বাংলাদেশের আলু রপ্তানি বাজার অত্যন্ত সীমিত, প্রধানত রাশিয়া নির্ভর, সেটাও এখন বন্ধ আছে। নতুন বাজার সৃষ্টিতে গতি কম, ফলে আলু উদ্বৃত্ত হলেও রপ্তানির পরিসর বাড়ছে না।
উচ্চ রপ্তানি ব্যয় : প্রতিবেশী দেশ যেমন ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানিমূল্য বেশি, ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।
পরীক্ষাগারের অপ্রতুলতা : ফাইটোস্যানিটারি সনদ, প্যাকেজিং, কোয়ালিটি সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য রপ্তানি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া জটিল এবং ব্যয়সাপেক্ষ। এতে ছোট ও মাঝারি রপ্তানিকারকরা নিরুৎসাহিত হন।
প্রণোদনা হ্রাস : পূর্বে আলু রপ্তানিতে সরকার ২০% হারে নগদ প্রণোদনা প্রদান করলেও বর্তমানে তা কমিয়ে ১০% করা হয়েছে, যা রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিচ্ছে।
করণীয়
বাংলাদেশে আলু খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে বাজার ব্যবস্থাপনার স্থিতিশীলতা, রপ্তানি প্রক্রিয়ার গতিশীলতা এবং কৃষক ও রপ্তানিকারকদের জন্য একটি সহায়ক ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহন করা যেতে পারে :
স্বল্পমেয়াদি (১-৩ মাস) পদক্ষেপ গ্রহণ : আলু রপ্তানিতে বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছেন। দেশীয় বাজার ভারসাম্য ও রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য প্রণোদনার হার পূর্বের ন্যায় ২০% করার উদ্যোগ গ্রহণ; উচ্চফলনশীল ও রপ্তানিযোগ্য আলু বীজ (বিশেষ করে হল্যান্ডের আলু বীজ বক্স) আমদানিতে প্রযোজ্য শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে এনে স্থানীয় চাষিদের সহায়তা করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে অনুরোধ করা; কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত ভর্তুকির তালিকায় সান-সাইন জাতের আলু বীজ যুক্ত করে চাষিদের উৎসাহিতকরণ; কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত হিমাগারের ভাড়া (বর্তমানে কেজি প্রতি ৬ টাকা ৭৫ পয়সা) যৌক্তিক হারে কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করা; দূরত্বভিত্তিক ট্রাক ভাড়ার হার সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণের মাধ্যমে পরিবহন খরচ নিয়ন্ত্রণ; বিআরটিসি কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাড়ায় ট্রাক সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করা; আলুর গুণগত মান নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুবিধার্থে রপ্তানির আগে চবংঃ জরংশ অহধষুংরং (চজঅ) পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা; আলু চাষী বা কৃষকদের জন্য প্রণোদনা/ভর্তুকি দ্রুত বিতরণে স্বচ্ছ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা; সরকার কর্তৃক গৃহিত বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন: কাবিখা, ওএমএস কর্মসূচিতে আলু অন্তর্ভুক্ত করা প্রভৃতি।
মধ্যমেয়াদি (৪-৬ মাস) পদক্ষেপ গ্রহণ : অধিকতর আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (চৎবফরপঃরহম ঃড়ড়ষং) অনুসরণ করে যথাসম্ভব যৌক্তিক মাত্রার বার্ষিক আলুর চাহিদা, উৎপাদন ও রপ্তানির পরিমাণ নির্ধারণ; পুরাতন কম ফলনশীল রোগপ্রবণ জাত, বিশেষ করে মুন্সিগঞ্জ এলাকায় বহুল প্রচলিত জাতের আলু প্রতিস্থাপন করে উন্নত, উচ্চফলনশীল, রপ্তানিযোগ্য এবং রোগ-প্রতিরোধী জাতের আলু সম্প্রসারণে একটি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ; এবং অঞ্চলভিত্তিক আলু উৎপাদন খরচ প্রকাশ করা; রপ্তানিতব্য আলু দ্রুত সময়ে ও সঠিক তাপমাত্রায় জাহাজীকরণের জন্য একটি নির্ধারিত রপ্তানি-উপযোগী বিশেষায়িত অঞ্চল নির্ধারণসহ উত্তরাঞ্চলে কমপক্ষে ৪-৫টি প্লাগিং স্টেশন ও রপ্তানি-উপযোগী শীতলীকরণ জোন স্থাপন; রপ্তানি সরবরাহ শিকলে নিরবিচ্ছিন্ন শীতলীকরণ অবস্থা বজায় রাখার জন্য আধুনিক কুলিং সিস্টেম চালুকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ; রাশিয়ায় পুনরায় আলু রপ্তানি চালুকরণের জন্য কার্যকর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা/উদ্যোগ গ্রহণ; চুক্তিভিত্তিক কৃষি (ঈড়হঃৎধপঃ ঋধৎসরহম) পদ্ধতির বিস্তার এবং সম্পাদিত চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান, ব্যাপক গণসচেতনতামূলক প্রচারণা, উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজন এবং একটি কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা; ইধহমষধফবংয এড়ড়ফ অমৎরপঁষঃঁৎধষ চৎধপঃরপবং (ইএঅচ) অনুসরণ করে নিরাপদ, মানসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য আলু চাষ পদ্ধতির বিস্তারের লক্ষ্যে কৃষকদের উপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কীটনাশক ও সারের পরিমিতভাবে ব্যবহারে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কৃষকদের উপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পণ্য অপচয় হ্রাসের লক্ষ্যে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ছোট আকারের হিমাগার নির্মাণসংক্রান্ত কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের চলমান প্রকল্পের মেয়াদ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ; রপ্তানি বৃদ্ধির       সুবিধার্থে ফাইটোস্যানিটারি পরীক্ষা সহজলভ্য করা এবং ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেটের বিদ্যমান ফি যৌক্তিক হারে কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা; রপ্তানি খাতে গতিশীলতা আনয়নে যৌথ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিমিত্ত কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে কৃষক ও রপ্তানিকারকদের সমন্বয়ে একটি রপ্তানি গতিশীলকরণ প্লাটফর্ম গঠন;
দীর্ঘমেয়াদি (১-২ বছর) পদক্ষেপ গ্রহণ : আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রসার ও ব্র্যান্ডিং নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিয়মিত কৃষিপণ্য প্রদর্শনী ও মেলার আয়োজন এবং বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস/হাইকমিশনের মাধ্যমে নতুন বাজার অনুসন্ধান করা; আলু রপ্তানির জন্য ডিজিটাল ই-কমার্স প্লাটফর্ম স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা। এটি কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি আলু বিপণনের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এটি কৃষক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে আলুর বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজতর করবে। প্লাটফর্মটিতে মূল্য নির্ধারণ, লেনদেন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিশ্চিত হবে; আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প (চিপস, স্টার্চ ইত্যাদি) বিকাশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে যা আলুর মূল্য সংযোজন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে; ব্লক-ভিত্তিক কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং রপ্তানীকারকের সাথে সমন্বয় করতে হবে। রপ্তানি বাজার স্থিতিশীল করতে বায়ার-সেলার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি প্রণয়ন; আলু সংরক্ষণে সোলার চালিত হিমাগার ও পরিবেশবান্ধব শীতলীকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এটি প্রান্তিক কৃষকদের জন্য শক্তি সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি আলুর গুণগত মান ও সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি করবে; জলবায়ু সহনশীল ও উচ্চমূল্যের আলু জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ।
চলমান বছর আলুর বাম্পার ফলন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেও, বাজার ব্যবস্থাপনা ও রপ্তানি প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান সমস্যা এই সম্ভাবনাকে চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে। সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চাষাবাদে নিরুৎসাহিত হবেন, যা ভবিষ্যতে আলু উৎপাদন হ্রাস ও বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
সে প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন :
া পরিকল্পিত উৎপাদন নিশ্চিতকরণে উচ্চ ফলনশীল জাত ও পরিমাণভিত্তিক এলাকা নির্ধারণ ও কৃষক পর্যায়ে দিকনির্দেশনা প্রদান।
া আধুনিক ও সক্ষম হিমাগার সম্প্রসারণ, বিশেষ করে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য প্রণোদনাসহ সংরক্ষণ সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
া রপ্তানিযোগ্য জাতের উন্নয়ন, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকে সহজীকরণ।
া নিরবচ্ছিন্ন বাজার তদারকি ও তথ্যপ্রবাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
সার্বিকভাবে, সরকার, বেসরকারি খাত, ব্যবসায়ী এবং কৃষকদের পারস্পরিক অংশগ্রহণে একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধান কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। এর মাধ্যমে আলু খাতকে জাতীয় অর্থনীতির একটি শক্তিশালী স্তম্ভে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
 
লেখক : উপপরিচালক (উপসচিব), কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা, মোবাইল : ০১৭১৮৭৩৩৪৯০,
ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন