কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০৫:৪৫ PM
কন্টেন্ট: ই-কৃষি ই-কৃষি বিভাগ: ফল প্রকাশের তারিখ: ২৮-০২-২০২৬
বাঙ্গি এক রকমের শসা জাতীয় ফল যার অন্য নাম খরমুজ, কাঁকুড়, ফুটি। যার বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis melo এবং ইংরেজি নাম Muskmelon. দেশের প্রায় সব এলাকাতেই গ্রীষ্মকালে বাঙ্গি জন্মে। তরমুজের পর এটিই অধিক প্রচলিত শসা গোত্রীয় ফল। বাঙ্গিগাছ দেখতে অনেকটা শসা গাছের মতো, লতানো।
ছোট এবং লম্বাটে জাতকে চিনাল বলা হয়। ফুটি বেশ বড় আকারের হয়, কাঁচা ফল সবুজ, পাকলে হলুদ রঙের হয় এবং ফেটে যায়। ফলের বাইরের দিকটা মিষ্টি কুমড়ার মতো হালকা ডোরা কাটা খাঁজযুক্ত। খেতে তেমন মিষ্টি নয়, অনেকটা বেলে বেলে ধরনের। এর ভেতরটা ফাঁপা থাকে। কাঁচা বাঙ্গি সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়। বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারেন।
জলবায়ু ও মাটি
বাঙ্গি চাষের জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী। উর্বর বেলে দো-আঁশ ও পলি মাটি বাঙ্গি চাষের জন্য সর্বোত্তম।
বীজ বপনের সময়
গ্রীষ্মকালে বাঙ্গি জন্মে । মার্চ থেকে এপ্রিল বীজ বপনের সময়।
চারা রোপণ
জমিতে আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে জমি প্রস্তুত করতে হবে। জাতভেদে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে বাঙ্গির বীজ বপন করা হয়। প্রায় ৫ ফুট থেকে ৬.৬৭ ফুট দূরে দূরে ১.৩৩ ফুট চওড়া ও গভীর মাদা তৈরি করে প্রতি মাদায় ৪-৫টি বীজ বুনে চারা গজানোর পরে ২-৩টি রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হয়।
জাত পরিচিতি
দেশে অনুমোদিত কোন জাত নেই। প্রধানত দুই জাতের বাঙ্গি দেখা যায় বেলে ও এঁটেল বাঙ্গি। বেলে বাঙ্গির শাঁস নরম। খোসা খুব পাতলা, শাঁস খেতে বালু বালু লাগে, তেমন মিষ্টি নয়। অন্যদিকে, এঁটেল বাঙ্গির শাঁস কচকচে, একটু শক্ত এবং তুলনামূলকভাবে বেশি মিষ্টি। বাঙ্গি সাধারণত লম্বাটে হলেও গোলাকার মিষ্টি কুমড়ার মতো বাঙ্গিও রয়েছে। এ প্রজাতির বাঙ্গির অপর নাম চীনা বাঙ্গি।
বাঙ্গি চাষে সার ব্যবস্থাপনা
বাঙ্গি সাধারণত নদীর তীরে বালু মাটি চাষ করা হয়। এজন্য সার প্রয়োগ করা হয় না। তবে ভাল ফলন ও উন্নত মানের বাঙ্গি পেতে নিম্নোক্তভাবে সার প্রয়োগ করতে হবে।
সারের নাম সারের পরিমাণ (শতাংশ প্রতি)
গোবর সার ৪০ কেজি
ইউরিয়া ২৫০ গ্রাম
টিএসপি ৩০০ গ্রাম
পটাশ ২০০ গ্রাম
প্রয়োগ পদ্ধতি
অর্ধেক জৈবসার জমি তৈরির সময় এবং বাকি অর্ধেক জৈবসার ও সম্পূর্ণ টিএসপি মাদায় প্রয়োগ করতে হবে। গাছ কিছু বড় হলে ইউরিয়া ও পটাশ সার মাদার চারপাশের মাটির সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার সময় মাটিতে রসের অভাব হলে সেচ প্রদান করতে হবে।
সেচ প্রয়োগ
বাঙ্গি খরা সহ্য করতে পারে। কিন্তু ভালো ফলনের জন্য শুকনোর সময় সেচ দিতে হবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে, গাছের গোড়ায় পানি যেন না জমে। কারণ গাছের গোড়ায় পানি জমলে গোড়া পচা রোগ হতে পারে।
রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাপনা
বাঙ্গির ফলের মাছি পোকা
লক্ষণ
স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামি রং ধারণ করে। ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাঁস খেতে শুরু করে এবং ফল বিকৃত হয়ে যায় এবং হলুদ হয়ে পচে ঝড়ে যায়।
দমন ব্যবস্থাপনা
১। আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়ে ফেলা।
২। কচি ফল কাগজ বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া।
৩। প্রথম ফুল আসা মাত্র কুমড়াজাতীয় ফসলের ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩টি হারে।
৪। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে তা বোতলে রেখে জানালা কেটে দিয়ে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৫। পাকা মিষ্টিকুমড়া বা কুমড়াজাতীয় ফল ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ (যেমন- সপসিন ০.২৫ গ্রাম) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরি করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৬। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মিলি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
বাঙ্গির পাউডারি মিলডিউ রোগ
পাতা ও গাছের গায়ে সাদা পাউডারের মতো দাগ দেখা যায়, যা ধীরে ধীরে সমস্ত পাতায় ছড়িয়ে পড়ে । আক্রান্ত বেশি হলে পাতা হলুদ বা কালো হয়ে মারা যায় ।
১। সম্ভব হলে গাছের আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে ধ্বংস করুন।
২। ক্ষেত পরিষ্কার রাখুন এবং পানি নিষ্কাশনের ভাল ব্যবস্থা রাখুন।
৩। (ম্যানকোজেব + মেটালাক্সিল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম/ লিটার হারে অথবা সালফার ছত্রাকনাশক যেমন কুমুলাস ৪ গ্রাম বা গেইভেট বা মনোভিট বা থিওভিট ২ গ্রাম অথবা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: গোল্ডাজিম ০.৫ মিলি. বা এমকোজিম বা কিউবি বা চ্যাম্পিয়ন ২ গ্রাম/ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা ।
বাঙ্গির মোজাইক রোগ
এ রোগ হলে গাছে হলুদ ও গাঢ় সবুজ ছোপ ছোপ মোজাইক করা পাতা দেখা দেয়।
১। ক্ষেত থেকে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা।
২। জাবপোকা ও সাদা মাছি এ রোগের বাহক, তাই এদের দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন: এডমায়ার বা টিডো ১ মিলি. / লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
বাঙ্গির সাদা মাছি পোকা
পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে । চারা গাছ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত এরা পাতার রস খায় । আক্রান্ত পাতা বিবর্ণ হয়। পাতা কুঁকড়ে যায়।
১। হাতজাল দ্বারা পোকা সংগ্রহ করে মেরে ফেলা।
২। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ।
৩। ক্ষেতে হলুদ রঙের আঠালো ফাঁদ লাগানো।
৪। আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো।
৫। ০.৫% ঘনত্বের সাবান পানি অথবা ৫ মিলি. তরল সাবান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
৬। ৫০০ গ্রাম নিম বীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে ।
৭। পোকা দমনের জন্য সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতি লিটার পানিতে ডায়মেথোয়েট ৪০ ইসি (রগর/ টাফগর/ সানগর/ পারফেকথিয়ন) ১ মিলি. বা অ্যাডমায়ার ১ মিলি. বা মেটাসিস্টক্স ১ মিলি. বা এসাটাফ- ১.৫ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।
বাঙ্গির থ্রিপস পোকা
পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে গাছকে দুর্বল করে ফেলে । ফুল ও কচি ফলে আক্রমণের কারণে ফলে দাগ হয়।
১। হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা।
২। তামাকের গুঁড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার নির্যাস প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা।
৩। অ্যাডমায়ার বা টিডো (ইমিডাক্লোরোপিড গ্রুপ) ২০ এসএল ০.৫ মিলি./লি হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
বাঙ্গির ডাউনি মিলডিউ রোগ
বয়স্ক পাতায় এ রোগ প্রথম দেখা যায়। আক্রান্ত পাতার গায়ে সাদা বা হলদে থেকে বাদামি রঙের তালির মতো দাগ দেখা যায়। ধীরে ধীরে অন্যান্য পাতায় ছড়িয়ে পড়ে ।
১। সম্ভব হলে গাছের আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা ।
২। ক্ষেত পরিষ্কার রাখুন এবং পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা রাখুন।
৩। (ম্যানকোজেব+মেটালাক্সিল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: পুটামিল বা রিডোমিল গোল্ড অথবা (ম্যানকোজেব+ ফেনামিডন) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: সিকিউর ২ গ্রাম/ লিটার হারে অথবা সালফার গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: কুমুলাস ২ কেজি/ হেক্টর হারে বা গেইভেট বা মনোভিট বা ম্যাকভিট ২ মিলি. / লি হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা ।
বাঙ্গির পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা
লক্ষণ
ক্ষুদ্র কীড়া পাতার দুইপাশের সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে। তাই পাতার উপর আঁকাবাঁকা রেখার মতো দাগ পড়ে এবং পাতা শুকিয়ে ঝড়ে যায়।
১। আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়ে ফেলা।
২। আঠালো হলুদ ফাঁদ স্থাপন করা।
৩। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক (যেমন: রিপকর্ড, সাইপেরিন, এগ্রোমেথ্রিন ১০ ইসি ১ মিলি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
বাঙ্গির হোয়াইট মোল্ড রোগ
লক্ষণ
ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়। এতে ফলে সাদা তুলার মতো বস্তু দেখা যায় এবং ফল পচে যায়।
১। প্লাবন সেচের পরিবর্তে স্প্রিংলার সেচ দেয়া।
২। আক্রান্ত ফল অপসারণ করা।
৩। ফলের নিচে খড় বা পলিথিন বিছিয়ে ফলকে মাটির সংস্পর্শে না আসার ব্যবস্থা করা।
৪। প্রপিকোনাজলগ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: টিল্ট ২৫০ ইসি ০.৫ মিলি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ৩ বার শেষ বিকেলে স্প্রে করা।
বাঙ্গির কাঁঠালে পোকা
পূর্ণ বয়স্ক বিটল ও গ্রাব উভয়েই পাতা খায় । আক্রান্ত পাতা ঝাঁঝরা করে, পরে পাতা শুকিয়ে যায় এবং ঝরে পাড়ে।
১। ক্ষেত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
২। গাছে ছাই ছিটানো। (পরিমাণ মতো)
৩। পরজীবী বোলতা সংরক্ষণ করা ।
৪। ডিম ও কীড়া নষ্ট করা এবং পোকা সংগ্রহ করে মেরে ফেলা।
৫। শতকরা ১০ ভাগ পাতা পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রতি লিটার পানিতে ডেনিটল/ট্রিবন-১ মিলি. বা সুমিথিয়ন-২ মিলি. বা কার্বারিল গ্রুপের সেভিন ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করা।
বাঙ্গির ফ্লি বিটল পোকা
লক্ষণ
পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে। পূর্ণবয়স্করা চারা গাছের বেশি ক্ষতি করে। এরা পাতা ও ফলের পাপড়ি ছোট ছোট ছিদ্র করে খায়। আক্রান্ত পাতায় অসংখ্য ছিদ্র হয়।
১। হাত জাল দ্বারা পোকা সংগ্রহ ।
২। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ ।
৩। চারা গাছ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া ।
৪। আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো
৫। ০.৫% ঘনত্বের সাবান পানি অথবা ৫ মিলি. তরল সাবান প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
৬। ৫০০ গ্রাম নিমবীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে ।
বাঙ্গির লিফ কার্ল রোগ
এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সাদা মাছি দ্বারা ভাইরাস ছড়ায়। আক্রান্ত গাছ খর্বাকৃতি হয়। পাতার গায়ে ঢেউয়ের মতো ভাজের সৃষ্টি হয়, কুঁচকে যায়। বয়স্ক পাতা পুরু ও মচমচে হয়ে যায়। অতিরিক্ত শাখা প্রশাখা বের হয় ও ফুল ফল ধারণক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
১। আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২। রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জাত ব্যবহার করা।
৪। ভাইরাসের বাহক পোকা দমনের জন্য ডায়ামেথেয়ট, এসাটাফ, অ্যাডমেয়ার, টিডো, ইত্যাদি যে কোনো একটি ১ মিলি. /লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা)।
ফল ফেটে যাওয়া ও প্রতিকার
পর্যায়ক্রমে উচ্চতাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার জন্য ফলের শাঁস ও খোসার বৃদ্ধির মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে না বলে ফল ফেটে যায়। জাতগত বৈশিষ্ট্যের কারণেও ফল ফেটে যায়। এজন্য ফলের বৃদ্ধিপর্যায়ে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। তা ছাড়া যেসব জাতের বাঙ্গি ফাটে না সেগুলো চাষাবাদ করতে হবে। এ ছাড়াও সলুবন বোরণ ২ গ্রাম/লিটার পানিতে ৭ দিন পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
বিশেষ পরিচর্যা
ফল যাতে পচে না যায় এজন্য জমিতে খড় বিছিয়ে দিতে হবে। অতিরিক্ত ফল ধরলে গাছ প্রতি ৪-৫টি ফল রেখে বাকি সব ফল ছাঁটাই করতে হবে। আগাছা পরিষ্কার করা, সেচ ও পানি নিষ্কাশনের ওপর জোর দিতে হবে। বাঙ্গির ফলের মাছি পোকা দমনের জন্য সেক্স ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করা যেতে পারে।
বাঙ্গি সংগ্রহ ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা
বাঙ্গি রং হলদে হলে, ফল ফেটে যাওয়া শুরু করলে বা কোন কোন জাতের বোঁটা বিচ্ছিন্ন হলে বুঝতে হবে যে ফল তোলা যাবে। তখন ফল তুলে সাবধানে পরিবহণ করতে হবে।
ফলন
প্রতি শতাংশ জমিতে ৮০-১০০ কেজি ফলন হয়। ফলের ওজন ১-৪ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।